আমি : বক্তৃতা দিতে পারেন?
রাজীব : বক্তৃতা দেওয়া আমার পেশা নয়; আমি পারিও না।
{{dent|5em|0|পারমিতা ও অসিত চক্রবর্তীকে জাতক পিছু চারটি করে অর্থাৎ মোট ৪×৪=১৬টি প্রশ্ন করেছিলাম। এরা দুজনই ১৬টি প্রশ্নেরই ভুল উত্তর দিয়েছিলেন। আশ্চর্যের কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আরও আশ্চর্যের কথা এই যে দু'জনে একই জন্ম সময় নিয়ে গণনা করা সত্ত্বেও ১৬টি উত্তরের মধ্যে একটি মাত্র ক্ষেত্রে দু’জনের উত্তরে মিল ছিল।
উত্তর না মিললে জ্যোতিষীরা সঠিক জন্ম সময় নিয়ে কূট প্রশ্ন
তোলেন। কিন্তু এই ক্ষেত্রে একই জন্ম সময় নিয়ে গণনা
করা সত্ত্বেও দু’জনের দু’রকম উত্তরের কী অজুহাত
তাঁরা দেবেন? উত্তর বেতার অনুষ্ঠান
থেকেই তুলে দিচ্ছি।
ডঃ অসিতকুমার চক্রবর্তী : তার কারণ, কখনও আমাদের অক্ষমতা, আবার কখনও শাস্ত্রের অপূর্ণতা।
পারমিতা : দেখুন, সমস্ত উত্তর হানড্রেড পারসেণ্ট নির্ভুল হওয়া কখনই সম্ভব নয়।
যাক! আলোচনা শেষে লজ্জার হাত থেকে বাঁচার জন্যে হলেও অন্তত একবারের জন্য জ্যোতিষসম্রাট স্বীকার করলেন জ্যোতিষশাস্ত্রের অপূর্ণতার কথা। কিন্তু এ কি কথা শোনালেন ‘এ-যুগের খনা’? “সত্য সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশ!” এখানে হানড্রেড পারসেণ্ট ভুল উত্তর দিয়েও ম্যাডাম ‘খনা’ যে গলাবাজি করলেন, সেটা জনপ্রিয় বাংলা প্রবাদ ‘চোরের মায়ের বড় গলা’র একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত।
এবার বলি ওদের ফেল করাবার গোপন রহস্য। দু-একটি উদাহরণ দিলেই চলবে। কারণ ‘সমঝদার কে লিয়ে ইশারাই কাফি’।
দীপক ভট্টাচার্যকে বুঝিয়ে-পড়িয়ে নিয়েই হাজির করেছিলাম। ওঁর নিজস্ব গাড়িটি ব্যবহার করতে দিইনি। কথায় কথায় শুকদেববাবুকে দীপক বলেও দিয়েছিলেন, স্টিল অথরিটি অফ ইণ্ডিয়ায় কাজ করেন। কিন্তু পোশাক-পরিচ্ছদ দেখে, কথাবার্তা শুনে শুকদেববাবু দীপককে অতি সাধারণের একটুও ওপরে স্থান দেননি।
তপন চৌধুরীকে পরিয়ে ছিলাম ফুটপাত থেকে কেনা সেকেণ্ডহ্যাণ্ড স্ট্রেচলনের পঁয়তিরিশ টাকা দামের প্যাণ্ট। গায়ে ছিল পুরনো বুশ-শার্ট যার তলার সেলাই