ময়ূখ : আমার মানিব্যাগে কত টাকা আছে?
পাগলাবাবা : সেভেন সেভেন।
ময়ূখ : সেভেন সেভেন? আমার মানি ব্যাগে ২৭০ টাকা আছে, দেখে নিন।
পাগলাবাবা : ভুল আমার ভুল।
আমি : এবার প্রশ্ন করছেন রঞ্জনবাবু, রঞ্জন সেনগুপ্ত।
রঞ্জন : আমার একটাই প্রশ্ন, আমার পকেটের সিগারেটের প্যাকেটটা দেখেছেন, এটায় ক’টা সিগারেট আছে?
পাগলাবাবা : সাতটা।
রঞ্জন : দেখুন, ন’টা আছে।
পাগলাবাবা : তিনটেই আমার ভুল হল।
আমি : আচ্ছা, এই ধরনের ভুল কেন হল?
পাগলাবাবা : আমাদের এটা মুড আছে। প্রত্যেক মানুষের একটা জায়গা আছে।
আমি : তার মানে নিজের জায়গায় হলে আপনার সুবিধে হয়?
পাগলাবাবা : না, তার কোনও প্রশ্ন নয়। যে কোনও জায়গায়ই প্রশ্নের উত্তর দিই। হয়তো আপনি বলবেন যে আমি এখানে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছি না। অতএব গুল ওসব। হয়তো আমি এখন মুডে নেই। মানুষের সুস্থতা, অসুস্থতা আছে। আর তিনটে প্রশ্নের উত্তরেই ভুল করলাম। এতে আমি খুব আনন্দ পেলাম। বুঝলাম, আমিও ভুল করি।
রহস্য এখানেই শেষ নয়। এর পরও বলার কিছু থেকে যায়। এই লড়াইয়ের নেপথ্যের কিছু কথা তুলে দিলাম, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রয়োজনে আসতে পারে ভেবে।
পাগলাবাবা (বারাণসী)-কে লিখে উত্তর দিতে দিইনি; শুধুমাত্র
এই কারণেই জিতেছি; এমনটা ভাবলে পুরোপুরি ভুল
ভাবা হবে। সেদিন কল্যাণ চক্রবর্তী এবং রঞ্জন
সেনগুপ্ত যেমন প্রশ্ন করবেন ভেবেছিলেন,
তেমনটি করলে পাগলাবাবা না লিখেই
সঠিক উত্তর দিয়ে দিতে
সক্ষম হতেন।
আর, তার ফলেও অলৌকিক ক্ষমতারই বিশাল জয় ঘোষিত হতো। যুক্তিবাদী অন্দোলন আজ যে অবস্থায় অবস্থান কছে তা নিঃসন্দেহে অনেকটাই ব্যাহত হতো।
রেকর্ডিং-এর দু’দিন আগে আমার অফিসে এসেছিলেন কল্যাণ। জানালেন, সব তৈরি। একটা ক্যামেরায় কিছু ফিল্ম তুলে রেখে দিয়েছেন। ওটাই পরশু নিয়ে আসবেন।