তাঁরা যদি যুক্তিনির্ভর উত্তর আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেন তাহলে পরবর্তী সংখ্যায় আমরা সেগুলি ছাপারচেষ্টা ‘করব। এই প্রশ্নগুলির উত্তর আমাদের জানা। অতর্কিত আক্রমণে আমাদের শুভানুধায়ীরা এবং সদস্যরা বিভ্রান্ত না হয়ে যাতে সুষ্ঠু উত্তর দিতে সক্ষম হন তার জন্যই এই চেষ্টা।”
৯ এপ্রিলের জ্যোতিষ সম্মেলনে ‘পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ’ এবং ভারতীয় যুক্তিবাদী সমিতির কিছু সদস্যর উপস্থিতিতে তাঁদের পক্ষ থেকে আমি জ্যোতিষ শাস্ত্রের অভ্রান্ততাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ব্যবস্থাপকদের তীব্র অসহযোগিতায় আমি প্রশ্ন তোলার সুযোগই পাইনি।
উদ্যোক্তরা বাস্তবিকই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে চাইলে তাঁদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের পরে নির্ধারিত কোনও একটি দিনে আমরা মৌলালী যুবকেন্দ্রে উৎসাহী শ্রোতাদের সামনে উপস্থিত হতে পারি। ‘জ্যোতিষ বনাম বিজ্ঞান’ এই আলোচনাচক্রের আয়োজন করার দায়িত্ব নিতে 'পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ' প্রস্তুত।
জ্যোতিষীদের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও গ্রহরত্ন-ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র রেষারেষি থাকা সত্ত্বেও এঁদের কেউ বিজ্ঞানমনস্ক কোনও মানুষ যা সংস্থার দ্বারা আক্রান্ত হলেই ওরা রেষারেষি ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ান, একত্রে লড়াই করেন। এটাই নিয়ম। একটা বিশেষ শ্রেণিস্বার্থে ঈশ্বরতত্ত্ব, অলৌকিকত্ব, আত্মার অমরত্ব, জ্যোতিষ ইত্যাদির মতো অসাধারণ সুন্দর শোষণের হাতিয়ারকে শাসকশ্রেণি ব্যবহার করবে এটাই স্বাভাবিক। হাতিয়ারগুলো পাহাড়ি জোঁকের মতো। যার রক্ত শোষিত হয়, সে বুঝতে পারে না। এই বোঝানোর দায়িত্ব নেওয়া প্রত্যেকটি যুক্তিবাদী মানুষ ও সংগঠনগুলোর কর্তব্য।
এই প্রসঙ্গে যুক্তিবাদীদের পক্ষে খুবই উৎসাহব্যঞ্জক একটা খবর জানাবার লোভ সামলাতে পারলাম না। বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী ‘পজিশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেণ্টার’-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর শ্রী অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ পর্যন্ত তাঁর জ্যোতিষ-বিশ্বাস ও