বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৩০২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
২৯৬
অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]
২৯৬

প্রবীর ঘোষকে ফের চ্যালেঞ্জ

 “যুক্তিবাদী প্রবীরের চ্যালেঞ্জে 'ঈপ্সিতা, অগ্নিতা, নরেন্দ্রনাথ কেউ এলেন না!” আমার নামে এই শিরোনামে ১২ ডিসেম্বর, আজকালে, যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা অসত্য। ‘ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি’র সম্পাদক প্রবীর ঘোষ এবং অনান্য যাঁরা নিজেদের যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক বলে মনে করেন, তাঁরা প্রায়ই হস্তরেখাবিদ্যা সম্বন্ধে না জেনে এই বিদ্যাকে বুজরুকি ধরে নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বহুদিন ধরে কাল্পনিক গল্প ও প্রবন্ধ লিখে আসছেন। আমি প্রবীরবাবুকে একটি চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম যে, হস্তরেখাবিদ্যা একটি বিজ্ঞান এবং তা আমি প্রমাণ করে দেব। আমার চিঠির উত্তরে ২৮ নভেম্বর ১৯৮৮-তে প্রবীরবাবু জানালেন যে, পাঁচ হাজার টাকা জামানত নিয়ে ১১ ডিসেম্বর ১৯৮৮তে ময়দান-তাঁবুর সাংবাদিক সম্মেলনে আসুন। এই হল প্রবীরবাবুর আমন্ত্রণপত্রের নমুনা। ঐ চিঠির উত্তরে ৬ ডিসেম্বর '৮৮ প্রবীরবাবুরকে জানিয়েছি যে, কিভাবে কোন পদ্ধতিতে হস্তরেখাবিদ্যা যে একটি বিজ্ঞান, তা প্রমাণ করব। প্রবীরবাবু ১১ ডিসেম্বরের আগে ঐ চিঠি পেয়েছেন, কিন্তু সাংবাদিক সম্মেলনে আমার ৬ ডিসেম্বরের লেখা চিঠি পড়ে শোনান নি। এর থেকে বুঝলাম প্রবীরবাবু সততার সঙ্গে সত্যতা যাচাই করতে চাইছেন না। আমি অলৌকিকত্বের প্রমাণ দেখাতে চাইনি। আমি চেয়েছি হস্তরেখাবিদ্যা যে একটি বিজ্ঞান, তা প্রমাণ করতে। বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদীদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, সাধুবাবাদের অলৌকিকতা বা ভাঁওতার সঙ্গে হস্তরেখাবিদ্যার কোন সম্পর্ক নেই। আমার কিছু শর্ত আছে। তাতে যদি প্রবীরবাবু রাজি থাকেন, তাহলে এপ্রিল ’৮৯ মাসের কোন একদিন হস্তরেখাবিদ্যা যে একটি বিজ্ঞান, তা আমি এবং আর একজন প্রমাণ করে দেব।

 নরেন্দ্রনাথ মাহাতো। মেদিনীপুর।


 ৩০ জানুয়ারি ’৮৯ আমাদের সমিতির পক্ষ থেকে দেওয়া নরেন্দ্রনাথ মাহাতো চিঠির উত্তরও প্রকাশিত হলো ‘প্রিয় সম্পাদক’ কলমেই।

নরেন্দ্র মাহাতোকে চ্যালেঞ্জ ৫ হাজার টাকা জমা দিন

 “প্রবীর ঘোষকে ফের চ্যালেঞ্জ” শিরোনামে ২৮ ডিসেম্বর ’৮৯ আজকালে শ্রীনরেন্দ্রনাথ মাহাতোর একটি চিঠি প্রকাশিত হয়েছে। চিঠিতে শ্রীমাহাতোর প্রথম দাবি, “যুক্তিবাদী প্রবীরের চ্যালেঞ্জে ঈপ্সিতা, অগ্নিতা, নরেন্দ্রনাথ কেউ এলেন না?” শিরোনামে ১২ ডিসেম্বর আজকালে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা অসত্য। শ্রীমাহাতোর বক্তব্যের সরল অর্থ আমার মাথায় না ঢোকার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। সেই সঙ্গে তাঁর কাছে জানতে চাইছি, প্রকৃত সত্যটা তবে কী? সেদিনই বাস্তবিকই