
কলকাতা ২৪ মার্চ ২০০৫ বৃহস্পতিবার ১০ চৈত্র ১৪১১ ২.০০ টাকা দশপাতা সঙ্গে খেলার দুনিয়া

ভাগ্য গণনা নিয়ে যেভাবে বিভিন্ন চ্যানেলে চ্যানেলে মিথ্যাচার চালাচ্ছেন এক শ্রেণির জ্যোতিষী তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন জনপ্রতিনিধিসহ মুখ্যমন্ত্রীও। এই ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমগুলিও প্রতিবাদে সরব। রাজ্যের ছাত্র-যুবরাও দলমত নির্বিশেষে এই প্রশ্নে এক প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়িয়েছেন। পাশে রয়েছেন বিশিষ্ট মানুষজনও। ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর পাঠকরাও প্রতিবাদে কলম ধরেছেন

ভণ্ডামি এবার বন্ধ হোক
আলোক, যা থেকে আলোর উৎস তা জ্যোতিষ্ক। মহাকাশে জ্যোতিপুঞ্জের অবস্থান, আকার গতি, পথ নির্ণয় যে বিশেষ জ্ঞান তা জ্যোতির্বিজ্ঞান। বর্তমানে পদার্থ-বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত এবং বিদ্যালয়ে পাঠ্য। ‘জ্যোতিষ’ বেদেরই ষড়াঙ্গের অন্যতম। ‘বেদ’ শব্দটি বিদ্ ধাতুর উত্তর ‘ঘঙ’ প্রত্যয় যুক্ত করে করণ ও অধিকরণ কারকে নিষ্পন্ন হয়। বিদ্ ধাতুর অর্থ—বিদ—জ্ঞানে-বিচারণে সভায়াম-বিদহ-লাভে জ্ঞান-বিজ্ঞান, বিচার, লাভ এবং সতার্থ। অতএব ‘বেদ’ জ্ঞান ও বিজ্ঞানে এবং তাহার অঙ্গ স্বরূপ জ্যোতিষ ও বিজ্ঞান। গ্রহ-নক্ষত্রাদির অবস্থান গতিপথ নির্ণয় বিজ্ঞানশাস্ত্র। ২। ফলিত জ্যোতিষ (Astrology) যাহা গ্রহ-নক্ষত্রাদির অবস্থান নির্ণয়পূর্বক মানুষের ভবিষ্যৎ শুভাশুভ বিচার বিদ্যা। এই বিজ্ঞানকে যে সব ভণ্ড জ্যোতিষী কলুষিত করছেন, মাজের বিভিন্ন মানুষকে বিভ্রান্ত করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করছেন, সমাজকে শোষণ এবং পঙ্গু করছেন ওই সব ভণ্ড জ্যোতিষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
চ্যানেলে মিথ্যাচার বন্ধ হোক
বিভিন্ন চ্যানেল ও পত্রিকাগুলো থেকে আমরা ও আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অনেক কিছু শিক্ষালাভ করে থাকি। সেখানে এই চ্যানেলগুলোতে যদি ২৪ ঘণ্টাই ওইসব জোচ্চর, ভণ্ড জ্যোতিষীদের মিথ্যে বড় বড় বাণী বা অঙ্গভঙ্গি দেখতে হয়, তা হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম