বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (তৃতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/৬৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
অলৌকিক নয়, লৌকিক [তৃতীয় খণ্ড]
৬১

রা-টি কাটবে না—এ আমাদের কার্যকরী সমিতির সিদ্ধান্ত। কী, সব মন-পসন্দ তো? পাঠক-পাঠিকার প্রতি একটি বিনীত আন্তরিক অনুরোধ—বিজ্ঞাপনে বিশ্বাস করে যাঁদের আপনি বিখ্যাত কোনও ঘটনার বা বিখ্যাত কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর নিখুঁত ভবিষ্যদ্বক্তা বলে মনে করেন, তাঁকেই আমাদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে অনুরোধ করুন, দাবি জানান বা বাধ্য করুন—দেখতেই পাবেন ওঁরা এক একটি কী ধুরন্ধর প্রতারক। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে যত বেশি সংখ্যক নামী-দামি জ্যোতিষীরা এগিয়ে আসবেন, ততই এই বক্তব্যের সত্যতা বেশি করে প্রমাণিত হবেই।

ফাঁসল অমৃতলালের প্রচারের ঢোল

 ১৯৯১-এ ভারতের সাধারণ নির্বাচন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচন হয়ে গেল। তারপরই অমৃতলাল হইহই করে প্রচারের ময়দানে নেমে পড়লেন। অমৃতলাল কে? অমৃতলাল এমনই একজন জ্যোতিষী, যিনি এই সমস্ত প্রচারে পূর্ব-ভারতের যে কোনও জ্যোতিষীর চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছেন। অমৃতলালের বহু বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয় নামী-দামি দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকার পুরো পাতা জুড়ে। শহর কলকাতার বুকে বহু হোর্ডিং দাঁড়িয়ে আছে অমৃতলালের বিজ্ঞাপন ধারণ করে:

“সব জ্যোতিষী বারবার
অমৃতলাল একবার
করতে গ্রহের প্রতিকার


অমৃতলাল (মেটাল ট্যাবলেট)

Metal Tablet-এর জুড়ি
ভার।”

 অমৃতলালের আরও একটা পরিচয় আছে। তিনি জনপ্রিয় ইংরেজি সাপ্তাহিকে সাপ্তাহিক রাশিফল লেখেন। বর্তমানে একটি টিভি চ্যানেলের মালিক।

 নির্বাচন নিয়ে নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণীর প্রথম বিজ্ঞাপনের বোমাটি অমৃতলাল ফাটালেন ২২ জুন, ১৯৯১-এর আনন্দবাজার পত্রিকায়। “পঃ বঙ্গের ক্ষেত্রে অমৃতলালের ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেল একশভাগ” শিরোনামে ঢাউস