ভয়কে বেশ উপভোগ করা যায়। কিন্তু বাস্তবে ভূতের গল্প শুনলে ভয় যত না করে আতঙ্ক তার থেকে বেশিই ছড়ায়। দাবানলের মতো ছড়ায় নানান গল্প। আর বাড়ে আতঙ্ক।
খোদ কলকাতা এমন অনেক ভূতের গল্প শুনেছে, ভয় পেয়েছে আবার মনেও রেখেছে। আবার তা ভুলেও গেছে। এমনই এক ভূত ভয়ের আমদানি হয়েছে কদিন আগে। নাগেরবাজারের উড়ালপুলে নাকি রাত দুপুরে নেমে আসছে অশরীরী। না। কারোর ঘাড় মটকায়নি। কারোর ব্যাগের টাটকা ইলিশ নিয়ে যায়নি কোনও মেছো বা মামদো ভূত।
শোনা যাচ্ছে, এই ভূতের একমাত্র নজর একলা গাড়ি চালক। দ্বিতীয় ব্যক্তির উপস্থিতি না থাকলে এই ভূত নেমে আসছে উড়ালপুলে। আর সত্য যাচাই করতে আমরা গত দু'দিন ধরে খোঁজ চালাচ্ছি। কী শুনেছি? কী দেখেছি? জানাব আপনাদের।
এই সত্য উদ্ঘাটন তো আমরা করবই। কিন্তু এই মুহূর্তে স্টুডিয়োতে আমার সঙ্গে যারা রয়েছে তাঁদের সাথে আলাপ করে নিই। আমার একেবারে বাঁদিকে রয়েছে প্রবীর ঘোষ। যুক্তিবাদী সমিতির সভাপতি। তার ঠিক পাশেই রয়েছে লোপামুদ্রা গোস্বামী। মনোবিদ। প্রবীরবাবু আপনি কিছু বলুন।
প্রবীর: আমি জনাকুড়ি মানুষের কাছ থেকে খবর পেয়েছি এবং কুড়িজন আবার প্রত্যক্ষদর্শী। প্রত্যেকের অভিজ্ঞতা আবার সাংঘাতিক সাংঘাতিক। ভয়ঙ্কর। আজকে সরাসরিভাবে একজনকে ইনভাইট করেছি আসতে। ভূত দেখান, যদি পারেন তবে ২৫ লাখ টাকা দেব। আর যদি না পারেন তাহলে একটা থাবড়া মারব একেবারে দাঁতগুলো যাতে সব ঝরে যায়। এটা বলেছি। আজকে একজন আসবে এবং সে থাকবে আমাদের সঙ্গে। আমি প্রত্যেক প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে কথা বলেছি এবং চ্যালেঞ্জিং মুডে তাদেরকে বলেছি আমাদের সাথে যেতে। একজনকেও পাইনি। একজনকেও না। সুতরাং এটা আমার কাছে স্রেফ গুজব।
সঞ্চালিকা: প্রবীরদা এই ঘটনাটাকে বলছেন স্রেফ গুজব। এবং আমাদেরও তাই মনে হচ্ছে। কিন্তু যেসকল ট্যাক্সি ড্রাইভার রয়েছেন, যেসব বাইক চালক রয়েছেন, তাদের byte রয়েছে। তাঁরা বলছেন, কেউ একজন আসছে। হাত দেখিয়ে গাড়ি থামাচ্ছে। তারপরেই এই অনুষ্ঠানগুলো ঘটছে।