যায় দাঁড়ানো থাকলে। তারপর হারিয়ে যায়। গাড়িতে আর থাকে না।
রাত্তির একটা নাগাদ। হঃ হঃ হঃ একদিন দাঁড় করাইছিল। তারপরে লোক নাইকো। হাত দেখাল। তারপর আর লোক নাই।
সাংবাদিক পিনাক: সত্যিই ভূত দেখেছেন। তারপর অবাক বিস্ময় নিয়ে আমরা আরও খোঁজ চালালাম। কথা হল স্থানীয় এক বাসিন্দার সঙ্গে। না। তিনি দেখেননি। তবে ভূত দেখেছেন এমন মানুষের চিৎকার শুনেছেন তিনি।
সেই বাসিন্দা বললেন রাত্তির মোটামুটি একটার পরেই দেখা যাচ্ছে যে গাড়ি দাঁড় করাচ্ছে এবং ছবি দেখা যাচ্ছে না। মারছে ড্রাইভারকে।
সত্যিই কি ভূত না কি গল্প। কেউ কেউ বলছেন সেই ছায়া মানুষের ডাকে সাড়া না দিয়ে চলে যাওয়াও নাকি যাচ্ছে না। আপনি আপনি আটকে যাচ্ছে গাড়ি। দুর্ঘটনার মুখে পড়ছেন চালক। এমনই এক বাইক চালক নাকি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাকে দেখতে গিয়ে নিজের কানে ভুত কাহিনি শুনেছেন, পাওয়া গেল এমনই একজনকে উড়ালপুলের ওপরে।
প্রশান্ত মণ্ডল নামক ওই স্থানীয় ব্যবসায়ী বললেন, কয়েকদিন ধরেই শুনতে পাচ্ছি আমি যে, তিনজন-চারজন করে মারা গেছে। কালকে একজন এরকম ব্রিজের ওপর অ্যাকসিডেণ্ট হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আমি ওঁকে দেখতে গেছি। দেখতে গিয়ে আমি ওঁকে জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে? উনি বললেন, ব্রিজের ওপর টার্নিংপয়েণ্ট-এ গাড়ির হ্যাণ্ডেল ঘোরাতে চাইছি কিন্তু ঘুরছে না, স্কিপ করছে। তো রেলিং-এ ধাক্কা না মেরে গাড়িটা ফেলে দিয়েছি। আর কনুই ছুলে গেছে, চোট লেগেছে।
ভূতের এই কাহিনি শুনলেও ওই ব্যবসায়ী রাতে নিজে অবশ্য অশরীরী ছায়াও দেখেননি। তবে কি পুরোটাই গল্প? সকলেই কি ভুল দেখেছে? সবাই দেখলেও ওই ব্যবসায়ীকে কেন দেখা দিল না ছায়ামানুষ? আমাদের মনে যে সন্দেহের প্রশ্ন, পুলিশের চোখেও তাই।
দমদম থানায় জিজ্ঞেস করলে দমদম থানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টা গুজব বলেছেন। আমরা নাগেরবাজারে পরপর দু-রাত কাটিয়েছি উড়ালপুলে। না ভুত দেখতে পাইনি। কিন্তু শুনেছি মুখে মুখে ছড়ানো ভয়ের কথা। তাই হাল ছাড়বে না নিউজ টাইম। আজ রাতেও মুখোমুখি হতে চাই আমরা।
তৃতীয় দিন মধ্যরাতেও থাকবে নিউজটাইম সঙ্গে থাকবে ক্যামেরা, প্রবীর