ঘোষ আর আপনারা। আমরা গল্পভূতের পর্দা ফাঁস করবই। আমরা যাচাই করব উড়ালপুলে ভূত, নাকি গোটাটাই অদ্ভুত এক গুজব।
সঞ্চালিকা: দুদিন ধরে আমাদের প্রতিনিধিরা নিরন্তর চেষ্টা করে গেছেন, সত্যের খোঁজ করার চেষ্টা করেছেন। প্রবীরবাবু আপনার কি একবারও মনে হয়নি যে উড়ালপুলে গিয়ে আমিও একবার দেখি।
প্রবীর: আমি গেছি তিনদিন। আমার ড্রাইভারকে আলাদাভাবে পাঠিয়েছি দু-দিন। এই ১১টা থেকে ১টার মধ্যে আমরা কিছু দেখিনি। সুতরাং বুঝেছিলাম মিথ্যে। তা সত্ত্বেও একটু দেখলাম। কিন্তু কিছু দেখিনি।
যিনি দেখেছেন প্রত্যক্ষদর্শী তাঁদের সাথে একটু কথা বলতে চাই। আমার প্রশান্তবাবুকে কিছু প্রশ্ন করার আছে। প্রশান্তবাবু বলেছিলেন যে তারপর মারা গেছে চারজন। ওই প্রত্যক্ষদর্শীকে এনে দিন ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
সঞ্চালিকা এই ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলেন।
সঞ্চালিকা: লোপামুদ্রাদি আপনি কী বলেন?
লোপামুদ্রা: একধরনের ব্যক্তিত্ব আছে যারা এই বুজরুকিতে বিশ্বাস করতে ভালোবাসে। এইমাত্র প্রবীরবাবু বললেন যে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলতে পারলে ভালো হত।
সঞ্চালিকা: প্রবীরবাবু, এই যে প্রশান্ত ব্যক্তিটির কথা শুনলাম একটু আগে....
প্রবীর: আসলে তাকে দেখে, তার চেহারা দেখে আমি নিশ্চিত যে তিনি মানসিক রোগী নন। চারজনের মৃত্যুর খবর ঠিক না। তাঁর মনে হয়েছে এইভাবে বলাই ভালো। বলেছেন।
গুজব কীভাবে হয়? ধরা গেল আমি শেয়ালদা স্টেশনে একটি গুজব ছড়ালাম। সেই গুজবটা শেয়ালদা স্টেশন চত্বর থেকে দমদম যাওয়ার আগে, মানে উড়তে উড়তে যাওয়ার আগে গুজবটা যা করে হয়তো রানাঘাটে পৌঁছে গেছে। একটা লোক পৌঁছবার আগে গুজবটা পৌঁছে গেছে।
সঞ্চালিকা: কিন্তু যার অ্যাকসিডেণ্ট হয়েছিল, তাকে কিন্তু দেখতে গেছে এই প্রত্যক্ষদর্শী।
অলৌকিক নয় লৌকিক/২য়—৯