কোটাল। কথা হয়েছে। কিন্তু সকলেই বলছেন যে, না, ভূত বলে কিছু নেই।
এবং আমরাও সেটাই প্রমাণ করতে চাইছি। মানুষের মন থেকে আতঙ্ক দূর করার জন্যই আমাদের আজকের অনুষ্ঠান। ভূত নেই কিন্তু আতঙ্ক সত্যি। এখানে আতঙ্ক একটা তৈরি হয়ে রয়েছে। উড়ালপুলের ঠিক পাশেই যাদের বাড়ি রয়েছে তারা দরজা-জানালা বন্ধ করে রেখেছে। গল্পের বইতে যখন আমরা পড়ি তখন গা ছমছম করে অনেকসময় এবং এটা যদি নিজের বাড়ির দোরগোড়ায় একটা ভুতের গল্প তৈরি হয় তাতেও তো আতঙ্ক তৈরি হয়।
আমরা পাশেই বাড়ির একটা বাসিন্দাকে পেয়েছি যাঁর কাছ থেকে জানতে চাইব আপনারা কেমন আছেন?
স্থানীয় বাসিন্দা: যেদিন অ্যাকসিডেণ্টটা হয়, আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ডিটেলস ব্যাপারটা দেখেছিলাম যে কীভাবে অ্যাকসিডেণ্ট হয়েছে, কীভাবে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, পাড়ার একজনকে দাদা বলি, সে কীভাবে ভুলেছে, সব দেখেছি।
এবার তারপর থেকেই একটা গা ছমছমানি ভাব থাকে। জানালাটা রাত্তিরে খুললে কীরকম একটা লাগে।
ভূত-কুত সেরকম কিন্তু দেখিনি। কোনও লোক দেখিনি। ভূত বলে যে কিছু আছে মানিও না, দেখিওনি। কিন্তু ওই যে দৃশ্যটা দেখেছিলাম সেটা দেখার পর কীরকম যেন একটা চোখে ভাসে। কীরকম একটা আতঙ্ক মনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।
সঞ্চালিকা: পিনাক তুমি বলো উড়ালপুলে টহলদারি কেমন হয় টহলদাররা কিছু কি দেখেছে?
পিনাক: আমরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। স্বরূপ তরফদার স্থানীয় সাংবাদিক আমাদের। তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটা নিছকই গুজব।
এই ব্রিজে যে টার্নগুলো রয়েছে, গাড়িগুলো ওখান থেকে একটা গতি নিয়ে আসে। এই টার্নে যদি একই গতি নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে একটা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
তাছাড়া শুধুমাত্র এই টানটানিতে অন্ধকার হয়ে রয়েছে।