হোটেলেই ওঠেন। আমাদের চেনা-শোনা ও পরিচিতদের মধ্যে অনেকেই ফেইথ হিলিং-এর সুযোগ নিতে শুরু করেন। এখানে বারো দিন থাকার পর ২০ আগস্ট আমি আর অশোক ওঁদের নিয়ে গৌহাটি যাই। ওখানে ওঁরা পাঁচ দিন ছিলেন। এত ভিড় হচ্ছিল যে, নাওয়া-খাওয়ার সময়টুকু পর্যন্ত পাচ্ছিলাম না। একদিন তো ২০০ রোগী নাম লিখিয়ে ছিলেন। টাকা রোজগারের ধান্দা থাকলে নিশ্চয়ই খুশি হতাম। তা যখন নয় তখন নিজেদের জান বাঁচাতে পালিয়ে এলাম। ২৭ তারিখ থেকে আবার কলকাতায়। ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এখানে থাকার পরিকল্পনা রয়েছে। তারপর হয় তো ওঁদের নিয়ে দিল্লি যেতে পারি।”
আগরওয়াল এই কথার মধ্য দিয়ে বোঝাতে চাইলেন মিস্টার গ্যালাডোকে এদেশে নিয়ে আসার উদ্দেশ্য টাকা রোজগার নয়, নেহাৎই সেবা। তাই আসামের বিশাল টাকার হাতছানিও তিনি অক্লেশে ছেড়ে আসতে পেরেছেন। ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে মিস্টার অ্যাণ্ড মিসেস গ্যালার্ডোকে ১৮।৮।৮৬-তে ইস্যু করা পারমিটের একটি প্রতিলিপি আমার হাতে এসেছে যাতে দেখেছি তাদের ২০ আগস্ট-৮৬ থেকে ২৭ আগস্ট ’৮৬ পর্যন্ত আসামে
![]()
শ্রী ও শ্রীমতী গ্যালার্ডোর দু’পাশে শ্রীআগরওয়ালা ও লেখক