করেন। আমি গড়ের হাতের যন্ত্র মাত্র। ঈশ্বর যাঁদের মাধ্যমে রোগীদের নিরাময় করান তাদের নির্বাচন করেন তিনি নিজেই।”
“যাঁরা আপনার কাছে আরোগ্যের আশায় আসেন, তাঁরা সকলেই কি রোগ মুক্ত হন?”
“সারবেই, এমন গ্যারাণ্টি আমি কাউকেই দিচ্ছি না। আরোগ্য নির্ভর করে রোগীদের ওপরে। রোগীর যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস থাকে, যদি ফেইথ হিলিং-এ বিশ্বাস থাকে এবং এক মনে ঈশ্বরের কাছে নিজের আরোগ্য কামনা করে তবে নিশ্চয়ই সারবে। তবে এটা কয়েকদিনে সারবে, কি কয়েক সপ্তাহে অথবা কয়েক মাসে, তা সম্পূর্ণই নির্ভর করে রোগীর বিশ্বাস ও প্রার্থনার ওপর।”
মিসেস গ্যালার্ডোকে এবার প্রশ্ন করলাম, “আপনিও ফেইথ হিলার?”
মিসেস গ্যালার্ডো দু'পাশে মাথা ঝাঁকালেন, “না, না, আমি ঈশ্বরের সেই কৃপা পাইনি। স্বামীকে সাহায্য করি মাত্র।”
মিস্টার গ্যালার্ডোকে এবার প্রশ্ন করলাম, “আপনি নিশ্চয়ই পৃথিবীর অনেক দেশ ঘুরেছেন?”
“হ্যাঁ।”
“বিদেশে কোথাও কি কোনও বিজ্ঞান-সংস্থা, বিজ্ঞানী বা চিকিৎসক আপনার চিকিৎসা পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক ব্যাখা চেয়েছেন? অথবা ফেইথ হিলিংকে বুজরুকি বলে প্রমাণ করতে চেয়েছেন?”
‘Psychic’ (অতীন্দ্রিয়) কোনও কিছুই ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়। ফেইথ হিলিং-এর বিষয়ে আমাকে কয়েক জায়গায় এই ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। যাঁরাই এই ধরনের প্রশ্ন করেছেন বলেছি, দুঃখিত, ব্যাখ্যা আমার জানা নেই। তাদের অনুরোধ করেছি ব্যাখ্যা চেয়ে আমার মেডিটেশন ও কনসেনট্রেশনে বিঘ্ন সৃষ্টি করবেন না।
“আরও একটা কথা কী জানেন মিস্টার ঘোষ, বিজ্ঞান এগিয়েছে বলে ঈশ্বর মিথ্যে হয়ে যায়নি। পৃথিবীর বহু দেশের টেলিভিশন কোম্পানি ফেইথ হিলিং-এর উপর ছবি তুলেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অনেক উল্টোপাল্টা অভিযোগও তুলেছে। ওদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় যে রক্ত ও দেহাংশ ওরা সংগ্রহ করেছিল সেগুলো পরীক্ষা করিয়ে নাকি দেখছে ওসব মানুষের দেহাংশ ওরা সংগ্রহ করেছিল সেগুলো পরীক্ষা করিয়ে নাকি দেখছে ওসব মানুষের দেহাংশ বা রক্ত নয়। কিন্তু পৃথিবীর কোনও যুক্তিবাদী মানুষের কাছেই অভিযোগগুলো গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেনি। কারণ পরীক্ষার আগে