ঈপ্সিতা বললেন, “এখন আমরা ভুডু মন্ত্রের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে পড়েছি। আপনার কোনও শত্রু থাকলে তার নাম বলুন। জীবন্ত প্রেতাত্মাকে স্মরণ করে বেগুনটা কেটে ফেলব, অমনি দেখতে পাবেন বেগুনের কাটা অংশে রক্তের দাগ। রক্তের দাগ যত তীব্র হবে, শত্রুর শারীরিক ক্ষতিও ততই তীব্র হবে। ভুভু মন্ত্র প্রয়োগের ক্ষেত্রে বেগুনের পরিবর্তে চিচিঙা বা পাতিলেবুও ব্যবহৃত হয়।”
বললাম, “সবই তো বুঝলাম। কিন্তু আমার কোনও শত্রু নেই। তামি নির্বিরোধী ছাপোষা কলমচী মাত্র।”
“বেশ তো আমরা বরং একটা মানসিক শক্তির পরীক্ষা করে দেখি। আপনি আপনার সমস্ত মানসিক শক্তি দিয়ে ভাবতে থাকুন বেগুনটার ভেতর যেন সাদাই থাকে। আমি আমার মানসিক শক্তিকে অর্থাৎ ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বেগুনটার ভেতর মানুষের রক্ত নিয়ে আসতে চেষ্টা করব।” বললেন ঈপ্সিতা।
দু’জনে কিছুক্ষণ মুখোমুখি বসে বেগুনের দিকে তাকিয়ে রইলাম। এক সময় ঈপ্সিতা বললেন, “দেখি আপনার নাড়ির গতি।”
![]()
ডাইনী সম্রাজ্ঞী ঈন্সিতা ও লেখক ‘মন্ত্র-শক্তি’ পরীক্ষায় মুখোমুখি