বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/২২৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
ভূতুড়ে তান্ত্রিক
২২৩

আজকাল ২১ ফেব্রুয়ারি ’৮৯ প্রকাশিত বিজ্ঞাপন

পরাজিত প্রবীর ঘোষ

 এক শোচনীয় ও মর্মান্তিক পরাজয়। যুক্তিবাদী সমিতির, সম্পাদক প্রবীর ঘোষ লেকটাউনস্থিত শ্রীশ্রীশিবকালী আশ্রম—৯৯ডি/১ লেকটাউন, কলিকাতা-৮৯-এর অধ্যক্ষ মাতৃসাধক আচার্য্য শ্রীমদ গৌতম ভক্তি সিদ্ধান্ত ভারতী ঠাকুরকে চ্যালেঞ্জ জানাতে গিয়ে তাঁর শ্রীচরণে মাথা নত করতে ও আশীর্বাদ ভিক্ষা করতে বাধ্য হন।

 ইতি—

শ্যামাপদ ঘোষ

 এরও একটা পশ্চাৎপট রয়েছে। সেই বিষয়ে সামান্য আলোকপাত করা প্রয়োজন। ১২ ফেব্রুয়ারি আজকাল পত্রিকার ‘রবিবাসর’-এ আমার একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। শিরোনাম—‘আমার চ্যালেঞ্জাররা’। লেখাটিতে গৌতমের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎকারের ঘটনাটির উল্লেখ করেছিলাম। সেই সঙ্গে জানিয়েছিলাম—পত্রিকাটিতে (আলোকপাত) প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখা হয়েছিল, ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সম্পাদক প্রবীর ঘোষ জানিয়েছেন গৌতম ভারতী তাঁর ফটো সম্মোহনের যথার্থতা প্রমাণ করতে পারলে শ্রীঘোষ দেবেন পঞ্চাশ হাজার টাকা। সে নিয়েও কম জল ঘোলা হয়নি, চিঠি-চাপাটির অনেক চাপান-উতোর চলেছিল। আমি একটি চিঠিতে লিখেছিলুম, গৌতম ভারতী তাঁর দাবির সমর্থনে প্রমাণ দিলেই যেখানে ল্যাঠা চুকে যায়, সেখানে এত চিঠির কূট-কচ্‌চানির কী আছে?’

 আজকাল-এর লেখাটির সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছিল। ছবিটি ছিল শ্রীশ্রীসদানন্দ দেবঠাকুর ও আমার। কিন্তু ভুলে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে ছবির তলায় ছাপা হয়েছিল—গৌতম ভারতীর সঙ্গে লেখক।

 আমি যে লেখাটি আজকাল পত্রিকার ‘রবিবাসর’ বিভাগে দিয়েছিলাম, তাতে সদানন্দ দেবঠাকুর বিষয়ে কিছু লিখেছিলাম। সম্ভবত স্থানাভাবে অংশটিকে বাদ দিতে হয়। ফলে কিছু বিভ্রান্তির সৃষ্টি হওয়ার বা সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ছিল।

 এই বিজ্ঞাপন দুটি বিশাল প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করছিল। অলৌকিকতার ব্যবসায়ী ও জ্যোতিষ ব্যবসায়ীরা এবং তাদের অন্ধ ভক্ত ও উচ্ছিষ্টভোগীরা