বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:অলৌকিক নয়, লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ.pdf/২২৯

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
ভুতুড়ে তান্ত্রিক
২২৫

পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে। সমস্ত রকমের সক্রিয় সহযোগিতার মধ্য দিয়ে আক্রমণের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা। ওই উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যেই কয়েকজন অভিযোগ তুললেন, একটি স্ব-বিজ্ঞাপিত যুক্তিবাদী সমাজ সচেতন মাসিক বিজ্ঞান পত্রিকার কিছু কাছের মানুষ ইতিমধ্যে প্রচারে নেমে পড়েছে—প্রবীর ঘোষ ২০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পরাজয় মেনে নিয়েছে। আমাদের দেশে ঈর্ষাকাতর মানুষের কোনও দিনই তাভাব ছিল না। কিন্তু এমন অভাবনীয় বিপদের দিনে কেউ সহযোগিতার পরিবর্তে মিথ্যে কুৎসা রটিয়ে আখের গুছোতে চাইবে এটা বিজ্ঞান আন্দোলনের পক্ষে যেমনই দুঃখজনক, তেমনই ঘৃণ্য চক্রান্ত। অবশ্য এই ধরনের যুক্তি-বিরোধী, মিথ্যাচারিতা ও ঈর্ষাপরায়ণতার বহু দৃষ্টান্ত এর আগেও ওই পত্রিকাটি স্থাপন করেছে। আরও একবার ওদের আসল রূপটা আমাদের দেখাল।

 আমরা সাধারণ মানুষের কাছে সত্যকে তুলে ধরার প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে আনন্দবাজার পত্রিকার ‘সম্পাদক সমীপেষু’ বিভাগের সম্পাদক ধীরেন দেবনাথের হাতে প্রতিবাদপত্র তুলে দিলে তিনি জানালেন, মিথ্যে বিজ্ঞাপনের দরুন কুসংস্কার বিরোধী আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আমাদের প্রতি তাঁর সমস্ত রকম সহানুভূতি থাকলেও, আমাদের চিঠি ছাপতে তিনি অপারগ। আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদক অভীক সরকার ও আজকাল পত্রিকার সম্পাদক অশোক দাশগুপ্তকে আমাদের সমস্যার কথা জানিয়ে কুসংস্কার মুক্তির আন্দোলনের স্বার্থে সত্যকে তুলে ধরার অনুরোধ রেখেছিলাম। দুজনেই সেই অনুরোধে সাড়া দিয়েছিলেন।

 ২২ ফেব্রুয়ারি আজকাল পত্রিকায় ‘প্রিয় সম্পাদক’ বিভাগে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির পক্ষে আমার লেখা চিঠিটি প্রকাশিত হয়। সঙ্গে প্রকাশিত হয় আরও তিনটি চিঠি—


২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯

বুজরুকরা মিথ্যা বিজ্ঞাপনের আশ্রয় নিচ্ছেন


 যুক্তিবাদীদের সঙ্গে লড়াই-এ না পেরে বুজরুকরা এখন মিথ্যা বিজ্ঞাপনের আশ্রয় নিচ্ছেন। ২১ ফেব্রুয়ারি আজকালের প্রবীর ঘোষ ও ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির বিরুদ্ধে শ্যামাপদ ঘোষ যে সচিত্র বিজ্ঞাপনটি দিয়েছেনঅলৌকিক নয় লৌকিক/২য়—১৫