(২)
গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রবীর ঘোষের লেখা ‘আমার চ্যালেঞ্জাররা’ লেখাটি পড়ে আমি মর্মাহত। কারণ লেখাটির বিষয়বস্তু ছিল কতিপয় অলৌকিক ম্যাজিক প্রদর্শনকারী জ্যোতিষী ও তান্ত্রিকদের সম্বন্ধে। এবং আমার সম্বন্ধে কিছুমাত্র উল্লেখ ছিল না। অহেতুক আমার ছবিটি এই বিতর্কিত লেখাটির মধ্যে ছাপা হয়েছে। ছবিটি গৌতম ভারতীর নয়, আমার। এতে আমার হাজার হাজার ভক্ত নরনারীদের সঙ্গে আমিও অস্বস্তি বোধ করছি। কারণ এই ধরনের অলৌকিক ম্যাজিকে আমি আদৌ বিশ্বাসী নই। আমি একজন ঈশ্বর বিশ্বাসী ধর্মগুরু। যারা আমার কাছে আসে এবং শান্তি চায় তাদের দিই শান্তিময় দিব্যজীবনের পথের সন্ধান।
শ্রীশ্রীসদানন্দ দেব ঠাকুর
আনন্দধাম। কলকাতা-২৮
(৩)
১২।২।৮৯ তারিখের আজকাল পত্রিকায় শ্রী প্রবীর ঘোষের লেখা ‘আমার চ্যালেঞ্জাররা’ লেখাটি পড়ে আমরা বিস্ময়ে হতবাক। কারণ শ্রীঘোষ লেখাটিতে কতিপয় জ্যোতিষী তান্ত্রিকদের সম্বন্ধে বিরূপ মন্তব্য করে গৌতম ভারতী নামে। আমাদের পরামারাধ্য গুরুদেব শ্রীশ্রীসদানন্দ দেব ঠাকুরের ছবি ব্যবহার করেছেন। এতে তাঁর শিষ্যভক্তদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। কারণ তিনি এ ধরনের অলৌকিক ম্যাজিকের পক্ষপাতী নন। তাঁর যুক্তিপূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত ধর্মীয় ব্যাখ্যায় আমরা আকৃষ্ট। তাঁর উপদেশ আমরা পাই সুস্থ শান্তিময় আধ্যাত্মিক জীবনের আলোর সন্ধান। কাজেই এ ধরনের বিতর্কিত লেখার মধ্যে তাঁর ছবি একেবারেই শোভা পায় না।
চিরঞ্জীব ব্রহ্মচারী
কলকাতা-৪৯।
ইতিমধ্যে সুসংগঠিতভাবে আমাদের উপর আক্রমণ ও ভীতিপ্রদর্শন চলতেই থাকে। গৌতমের ভক্ত নামধারীরা ‘আজকাল’ পত্রিকা অফিসেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
আমাদের সমিতি ও আমাদের সহযোগী বহু সংস্থা গৌতমের মিথ্যাচারিতার জবাব দিতে সভা, পথসভা, পোস্টার, লিফলেট নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে হাজির হতে থাকেন। স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরোধে এগিয়ে আসেন সাধারণ