চব্বিশ ঘণ্টাও কাটেনি; যা জানা যাচ্ছে তা থেকে মনে হচ্ছে প্রবীরবাবুর বিরুদ্ধে ভক্তরা ‘ব্যবস্থা নিতে’ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যদিও গৌতম ভারতী এও বলেছিলেন, “কে এই প্রবীর ঘোষ? সে বিখ্যাত লোকের গায়ে কাদা ছুঁড়ে বিখ্যাত হতে চাইছে।” মজার কথা, গৌতম ভারতীর শিষ্যরাই কিন্তু এই বিজ্ঞাপন ছেপে প্রবীরবাবুকে আরও বিখ্যাত হওয়ার সুযোগ করে দিলেন। যার যার প্রশ্ন করে জেনেছি গৌতম ভারতী প্রবীর ঘোষের চ্যালেঞ্জ গ্রহণে আগ্রহী নন। প্রবীরবাবু কিন্তু স্পষ্টই বলেছেন, “মিথ্যাচারিতাকে আশ্রয় করে টাকা-পয়সার জোরে ওরা বিজ্ঞান-আন্দোলনকে আঘাত করতে চাইছে।” ভক্তদের কাছে প্রবীরবাবু তাঁদের গুরুদেবের অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা প্রকাশ্যে প্রমাণের চ্যালেঞ্জও জানিয়েছেন।...(একটি সূত্রের খবরে প্রকাশ ইতিমধ্যেই লেকটাউনের শিবকালী আশ্রমের গৌতম ভারতী ও তার দাদ দমদম শিবকালী আশ্রমের গৌতম ভারতীর সঙ্গে আরও দু-একজন তান্ত্রিক ও জ্যোতিবী যুক্ত হয়েছে)।...
২ মার্চ ‘আজকাল পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হল আর একটি ছবি সহ খবর—
আত্মহত্যার চেষ্টায় ‘অলৌকিক শক্তিধর’
গৌতম ভারতী হাসপাতালে : ভাঙচুর, পুলিশ
দেবাশিস ভট্টাচার্য: ‘আত্মহত্যার’ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ‘অলৌকিক শক্তিধর’ গৌতম ভারতী এখন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এমার্জেন্সির তিনতলার বেড়ে চিকিৎসাধীন। দমদম লেকটাউনের শ্রীশ্রীশিবকালী আশ্রমের ‘অলৌকিক শক্তিধর’ এই আচার্য বুধবার ভোররাতে নিজের তলপেটে ভাঙা কাচের বোতল ঢুকিয়ে রক্তারক্তি কাণ্ড বাধান। হঠাৎ-ই অ্যাপেণ্ডিসাইটিসের প্রচণ্ড ব্যথা ওঠায় ‘অলৌকিক শক্তিধর’ গৌতম ভারতী যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে একটি বোতল ভেঙে নিজের তলপেটের ডানদিকে ঢুকিয়ে দেন। তারপর যন্ত্রণা-কাতর গৌতম ভারতীর চিৎকারে আশ্রমের ভক্তশিষ্যরা ছুটে এসে দেখেন চারদিক রক্তে ভেসে যাচ্ছে। এই অবস্থায় তাঁর ভক্তা-শিষ্যরা গৌতম ভারতীকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এমার্জেন্সির তিনতলায় সি বি টপ ১৩৬ নম্বর বেডে তাঁকে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ক্ষতস্থানের চিকিৎসা করেন। বুধবার সকালেই তাঁর অ্যাপেণ্ডিসাইটিস অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর