বুধবার রাতের ঘটনার প্রতিবাদে এদিন অল বেঙ্গল জুনিয়র ডাক্তার ফেডারেশন এবং স্পেশাল অ্যাটেনডেণ্ট ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সুপারের কাছে একটি ডেপুটেশন দেওয়া হয়। বিক্ষোভ চলে সকাল ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত। অ্যাটনডেণ্টদের অবশ্য অন্যান্য দাবিদাওয়াও ছিল। দুটি সংগঠনই এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন। এ বি জে ডি এফ-এর পক্ষ থেকে ডা. গিরিশ বেরা সুবীর ব্যানার্জি জানান বার বার জানানো সত্ত্বেও পুলিশ ঘটনার ২ ঘণ্টা · পরে এসেছে। অবস্থা সামাল দেওয়ার বদলে পুলিশ ডাক্তারদের সঙ্গেই দুর্য্যাবহার করেছে। চিকিৎসক ডাক্তার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করেছেন রোগীকে আলাদাভাবে রাখা হোক। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা অবধি গৌতম ভারতীকে অন্য বেডে নিয়ে যাওয়া হয়নি। এদিন ওই ওয়ার্ডেরই বেশ কিছু রোগী অভিযোগ করেন এমন একজন পেশেণ্টের সঙ্গে তাদের থাকতে ভয় লাগছে। বুধবার রাতে তাণ্ডবের সময় ডাক্তার, নার্স, কর্মী ও রোগীদের সবাই পালিয়ে গেলেও নিরুপায় কয়েকজন রোগী বিছানাতেই ছিলেন। এঁদের অন্যত্র যাওয়ার ক্ষমতাও ছিল না। এই ঘটনা আবার ঘটুক তা তাঁরা চান না। রোগীদের অনেকেরই জিজ্ঞাসা, শুনেছি উনি বিরাট সাধুবাবা। তা হলে নিজের অ্যাপেণ্ডিক্সটা অলৌকিক ক্ষমতাবলে উনি সারিয়ে তুলছেন না কেন?
এসব সত্ত্বেও ভক্তরা এদিন ভিজিটিং আওয়ারে ভিড় জমিয়েছেন তাঁর শয্যায় সামনে। হাত পা বাঁধা ভারতী অবশ্য তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পারেননি। তাঁর স্যালাইন চলছিল। এদিকে অলৌকিক শক্তিধরের ক্ষমতার প্রথম চ্যালেঞ্জার ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রবীর ঘোষ এদিন এ প্রসঙ্গে জানান যুক্তিবাদীদের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে ও এখন এইসব অভিনয় শুরু করেছে। একজন বড় অভিনেতা। এই ঘটনাই প্রমাণ করেছে ও ধাপ্পাবাজ। যিনি অপরের রোগ নিরাময় করতে পারেন বলে বিজ্ঞাপন দেন তিনি নিজের রোগ নিরাময় করতে পারলেন না কেন? এমনও হতে পারে, এইসব অভিনয় করে উনি ওঁর শিষ্যদের আমার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেবার চেষ্টা করছেন। আমাদের সমিতি সহ বিভিন্ন বিজ্ঞানকর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে গণ বিজ্ঞান আন্দোলনের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সন্ত্রাস রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটা স্মারকলিপি পাঠানো হয়েছে।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় যুক্তিবাদী আন্দোলনের সমর্থনে গৌতমকে ধিক্কার জানিয়ে বহু চিঠি প্রকাশিত হয়েছে, যা আমাকে এবং আমাদের যুক্তিবাদী