কয়েকটি অঞ্চলের কয়েকজন জ্যোতিষী এবং গুরুজির তন্ত্রমন্ত্রের বুজরুকি ধোঁকাবাজির বিরুদ্ধে আমরা কয়েকজন যুবক-যুবতী সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার চালাচ্ছি। খুব একটা সাড়া যে পাচ্ছিলাম তা নয়। তবে চেতনা বাড়ছে। গ্রামে লড়াইটা একেবারেই অসম। ওঝা, জ্যোতিষী, গুরুজিদের এখানে বড় সুবিধা। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অক্ষরজ্ঞানহীন। তাছাড়া, যাঁরা শিক্ষিত তাঁদের মধ্যেও অনেকে (এঁদের দলে শিক্ষকমশাইরাও আছেন) জ্যোতিষীদের মুখনিঃসৃত বাণীকে অভ্রান্ত মনে করেন।
এ অবস্থায় কাগজে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সম্পাদক প্রবীর ঘোষের ছবি-সহ একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাগজের কাটিং নিয়ে স্থানীয় গুরুজিরা প্রচারে নামেন। তাঁদের চেলারাও যত্রতত্র আমাদের অশ্লীল ভাষায় গালাগালি দেন। আনন্দবাজারে অলৌকিক শক্তিধরদের মুখোশ খুলে দিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে সেটা দেখেই আট কপি আনন্দবাজার কিনে কয়েকটি গ্রামে ঘুরলাম। পূর্বে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের এটা একটা উপযুক্ত জবাব।
মধুসুদন সরকার। গাংনাপুর, নদীয়া
॥ ৩ ॥
২৫ ফেব্রুয়ারি আনন্দবাজারে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সম্পাদক প্রবীর ঘোষের বিপদের কথা পড়লাম। ওঁর অপরাধ, তিনি তথাকথিত গুরু/বাবাদের মুখোশ খুলে দিতে চান। ধোঁকাবাজ মহাপুরুষদের পৃষ্ঠপোষকের অভাব হয় না। যুক্তিবাদী আন্দোলনকে বানচাল করতে তাঁরা যে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন সেটাই স্বাভাবিক।
বামফ্রণ্ট সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ; অবিলম্বে প্রবীরবাবুর যথোপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুন এবং যুক্তিবাদী আন্দোলনকে এগিয়ে যেতে দিন।
আশিস রায়চৌধুরী। জলপাইগুড়ি
॥ ৪ ॥
অলৌকিক শক্তিধরেরা কবরের ভেতর ঘণ্টার পর ঘণ্টা থেকে, আগুনের উপর দিয়ে হেঁটে, কিংবা নাড়িবন্ধন করে সমাধিস্থ হওয়ার বিভিন্ন প্রকার