এইভাবে সরাসরি ভক্তদের প্ররোচিত না করে তিনি নিজের ‘অলৌকিক ক্ষমতা’ এক্ষেত্রে প্রদর্শন করতে অথবা ভক্তদের সঠিক পথে পরিচালিত করে প্রকৃত গুরু হতে পারতেন। ‘আমি ওদের বারণ করি, ওরা আমার কথা শোনে না।’ তিনি কেমন গুরু যে ভক্তরা তাঁকে মান্য না করে উন্মার্গগামী হয়।
তপনকুমার দাস। রানাঘাট, নদীয়া
॥ ৭ ॥
দীপ্তেন্দ্র রায়চৌধুরী ‘অলৌকিক শক্তিধরদের চ্যালেঞ্জ করে যুক্তিবাদী বিপন্ন’ লেখাটি (২৫-২) পড়লাম। যাঁরা প্রবীরবাবুর জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন তাঁদের ধিক্কার জানাই। প্রকৃত ধর্ম বুজরুকির ধার ধারে না। মহাভারত বলছে: ‘যেনাত্মনস্তত্থান্যেষাং জীবনং বৰ্দ্ধনাঞ্চাপি ধিরতে স ধর্মঃ’—অর্থাৎ যার দ্বারা নিজের এবং অপরের জীবন ও সমৃদ্ধি বিধৃত হয়, তাই ধর্ম। মনুর মতে—ধৃতি, ক্ষমা, দম, অস্তেয় (অচৌর্য), শৌচ, ইন্দ্রিয় নিগ্রহ, ধী, বিদ্যা, সত্য ও অক্রোধ—এই দশটি ধর্মের সাক্ষাৎ লক্ষণ। হারীতের মতে, ‘যাতে উন্নতি হয়, তাই শ্রেয়, তাই ধর্ম।’ যাজ্ঞবন্ধের মতে, ‘যা কু-কার্য ও কলুষ থেকে সকলকে নিবৃত্ত করে’ সৃষ্টিকে রক্ষা করছে, তাই ধর্ম। বিবেকানন্দের মতে সৎকর্মই ধর্ম এবং যা নিজের কল্যাণ করে ও জগতের হিতসাধন করে তাই ধর্ম।’
প্রকৃত গুরু যাঁরা তাঁরা কোনও দিন ধান্দায় ছোটেন না।
রাধাকৃষ্ণ প্রধান। ডায়মণ্ডহারবার
॥ ৮ ॥
আমরা দুর্গাপুরে যুক্তিবাদী সংগঠন করেছি যার নাম ‘লৌকিক।’। ‘লৌকিকের’ পক্ষ থেকে গৌতম ভারতী ও তাঁর অন্ধ বিশ্বাসধারী শিষ্যদের এইটুকুই জানিয়ে রাখছি যে, প্রবীর ঘোষ ও তাঁর বিজ্ঞান সংগঠন কর্মীদের মৃত্যুর হুমকি দেওয়ার আগে একটু চিন্তা করে নেবেন।
উৎপলকুমার দে। দুর্গাপুর-১০
॥ ৯ ॥
মিথ্যাচার তথা বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমেই কুরু-পঞ্চালে ১৫০০ খ্রি. পূর্বাব্দে বাবা-প্রথার উদ্ভব হয়েছিল। পঞ্চালের আর্য জন-সমিতির তৎকালীন