সেনাপতি ‘বধ্র্যশ্ব’ কয়েকটি যুদ্ধ জয় করে সমগ্র আর্যসমাজের সম্মান লাভ করে। এই সুযোগে আত্মসুখ ও অন্যের পরিশ্রমের ফল ভোগের লোভে ‘বধ্রশ্ব’ জন-সমিতির ক্ষমতা খর্ব করে রাজা প্রথার প্রবর্তন ঘটায় আর বশিষ্ঠ বিশ্বমিত্রের পূর্বপুরুষকে উৎকোচ দিয়ে তাদের ‘বাবা-পদে বসায়। পরিবর্তে এই বাবারা প্রচার করেছিল—ইন্দ্র, অগ্নি, সোম, বরুণ, বিশ্বদেব এবং অন্যান্য দেবতারা রাজাকে পাঠিয়েছেন পৃথিবীর প্রজাকে শাসন করবার জন্য। অতএব সাধারণ মানুষ যেন রাজার হুকুম মেনে চলে আর যথাবিহিত সম্মান করে। এর সবটাই ছিল বেইমানি। ‘বাবাদের’ মিথ্যাচারের ফলে পঞ্চালের আর্য-সমাজের গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছিল। পরবর্তীকালে বশ্য-পৌত্র দিবোদাসের রাজত্বে 'বিশ্বামিত্র' বাবাগিরি করে জনগণকে প্রতারিত করেছিল। আজ গণতান্ত্রিক পশ্চিমবঙ্গে বাম রাজত্বে ভারতীরা শূন্য থেকে মায়ের দেওয়া সন্দেশ এনে খাওয়াচ্ছে আর বিজ্ঞান কর্মীদের (এঁরাও পারেন শূন্য থেকে রসগোল্লা, সন্দেশ আনতে) মেরে ফেলবার হুমকি দিচ্ছে।
স্বাধীনোত্তর ভারতবর্ষে ঘৃণ্য রাজনীতির আবর্তে সরাসরি অন্যায়ের বিরোধিতা করতে গিয়ে কে কতটা প্রশাসনিক সাহায্য পাবেন সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। জনপ্রতিনিধি বা আমলারা যেখানে বাবাদের দ্বারস্থ হন সেক্ষেত্রে সাহায্য পাবার আশা দুরাশা মাত্র।
অভিজিৎ বোস। হ্রড়া, উঃ ২৪ প
॥ ১০ ॥
গৌতম ভারতী জানিয়েছেন, তিনি আসলে কিছুই করেন না। মা (?)-ই সব করে থাকেন। তা হলে প্রবীরবাবুকে শায়েস্তা করার জন্য তিনি কেন ‘ভক্তদের’ সাহায্য নিচ্ছেন? এখানে কি তাঁর ‘মা’ ব্যর্থ? তাঁর ভক্তরা কাগজগুলোকেও দেখে নেবে—এমন হুঙ্কারও তিনি ছেড়েছেন। তাঁর এই হুঙ্কারের কারণ কী? তিনি কি অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়েছেন?
চিত্তরঞ্জন পাল। হাওড়া-৩
॥ ১১ ॥
‘অলৌকিক শক্তিধরদের চ্যালেঞ্জ করে যুক্তিবাদী বিপন্ন’ শীর্ষক খবরটি (২৫-২) পড়ে বুঝলাম: সক্রেটিসের হাতে বিষ তুলে দেওয়ার যুগ থেকে