অনেকটা এগিয়ে আসার অহঙ্কারটা আমাদের মিথ্যে। অলৌকিক শক্তিধরদের বুজরুকির ভিত হল মানুষের প্রশ্নহীন অন্ধ বিশ্বাস। সেই ভিতে নাড়া পড়লে মিথ্যার মিনারটি মিলিয়ে যাবার আশঙ্কায় বিপন্ন বোধ করে তারা তো ছলনা ও কৌশলের আশ্রয় নেবেনই। কারণ ধোঁকাবাজিই তাঁদের একমাত্র অবলম্বন।
জ্যোতিকণা মুখোপাধ্যায়। খড়্গপুর
॥ ১২ ॥
‘অলৌকিক শক্তিধরদের চ্যালেঞ্জ করে যুক্তিবাদী বিপন্ন’ প্রতিবেদনটি পড়লাম।
প্রবীর ঘোষ গত এক দশকের চেনা নাম। তথাকথিত ‘সর্বজ্ঞ’ ‘অমুক বাবা’ ‘তমুক ব্রহ্মচারী’দের যে কোনো অলৌকিক ক্ষমতাই নেই যৌক্তিক পদ্ধতিতে তিনি সে কথা সাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছেন। তাঁর বিজ্ঞানমুখী কর্মকাণ্ডের জন্য কোথায় তাঁকে নিয়ে আমরা গর্ববোধ করব তা নয়, তিনি আজ বিপন্ন হতে বসেছেন। তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে পুলিশও ইতিকর্তব্য পালনে বিমুখ।
তিমিরবরণ চাঁদ। গুসকরা, বর্ধমান
॥ ১৩ ॥
‘অলৌকিক শক্তিধরদের চ্যালেঞ্জ করে যুক্তিবাদী বিপন্ন’ (২৫-২) প্রতিবেদন পড়ে অবাক হলাম ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে কি বাক-স্বাধীনতা লোপ পাচ্ছে?
মনোজ ভোজ। কলকাতা-৬
॥ ১৪ ॥
‘অলৌকিক শক্তিধরদের চ্যালেঞ্জ করে যুক্তিবাদী বিপন্ন’ শীর্ষক সংবাদে বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন হলাম। দেশের দুরবস্থার অন্যতম প্রধান কারণ হল এই সব ‘গুরুবাবা’। বর্তমানে মানুষের ভাবনা অনেক উন্নত হয়েছে, যুক্তি ছাড়া কোনও কিছুকে কেউ মেনে নিতে পারছে না। তাই ‘মায়ের সুপুত্তুর’রা মায়ের নামে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে সাধারণ মানুষকে তাদের চেলা বানাতে চাইছে। পার্থসারথি বিশ্বাস। হেতিয়া, বাঁকুড়াঅলৌকিক নয় লৌকিক/২য়—১৬