॥ ১৮ ॥
‘ঐশী শক্তির জয়’ বিজ্ঞাপনটি যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছিল, ‘অলৌকিক শক্তিধরদের চ্যালেঞ্জ করে যুক্তিবাদী বিপন্ন’ শীর্ষক রিপোর্টে সেই বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে। ইচ্ছাকৃত প্রতিবন্ধকতার বা হুমকির দ্বারা কখনও প্রকৃত সত্যের গতিরোধ করা যায়নি, যাবেও না। ‘অলৌকিক শক্তিধর’ বুজরুকের দল সাবধান।
স্বস্তিক সেনগুপ্ত। স্কটিশ চার্চ কলেজ
॥ ১৯ ॥
ধর্মগুরুরা নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে যুক্তিবাদী বিজ্ঞামনস্ক মানুষদের প্রাণদণ্ডের হুমকি দিতে শুরু করেছেন। আগেও বিজ্ঞানীকে মরতে হয়েছে কিছু ধর্মগুরুর নির্দেশে। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে দাঁড়িয়েও ধর্মগুরুদের হিংসামূলক কাজকর্মে উসকানিতে কিছু মানুষকে উৎসাহিত হতে দেখে অবাক লাগে।
মলয়কুমার দাস। কেশিয়াড়ি, মেদিনীপুর
॥ ২০ ॥
‘অলৌকিক শক্তিধরদের চ্যালেঞ্জ করে যুক্তিবাদী বিপন্ন’ খবরটি পড়ে স্তম্ভিত হচ্ছি। প্রবীর ঘোষকে যাঁরা হত্যার হুমকি দেখাচ্ছেন তাঁদের জানা উচিত একজন প্রবীর ঘোষের মুখ বন্ধ করা যায় হয়তো, কিন্তু সত্যের মুখ বন্ধ করা যায় না।
আশিসকুমার চক্রবর্তী। জগদীশপুর, হাওড়া
॥ ২১ ॥
আনন্দবাজারের খবর (২৫-২-৮৯) থেকে জানলাম: যুক্তিবাদী প্রবীর ঘোষ তথাকথিত বাবাদের বিরাগভাজন হয়েছেন। তাঁর উপর নাকি দৈহিক অক্রমণও হতে পারে। এটা প্রমাণ করে যে, যাঁরা নিজেদের অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী বলে প্রচার করেন, তাঁরা ভয় পেয়েছেন। এবং এইখানেই প্রবীরবাবুর সাফল্য।
অমল রায়চৌধুরী। চন্দননগর।