ওঁদের ধর্মের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার
হয়ে রয়েছে) উপর আঘাত হানলে
আদিবাসী সমাজ ক্ষেপে উঠবে
তাহলে স্পষ্টভাবে জানাই,
এ ধারণা আদৌ
সত্য নয়।
সাঁওতাল সমাজের অনেকেই আজ এই প্রথা থেকে সমাজকে মুক্ত করতে আন্তরিকভাবেই আগ্রহী। সরকার তাঁদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে অবশ্যই ডাইনি প্রথা বিরোধী আন্দোলনে নতুন গতি যুক্ত হবে। এ কথাও অস্বীকার করার উপায় নেই, জানগুরুদের অর্থের লোভ বা রাজনৈতিক ক্ষমতার ভয় দেখিয়ে অনেক ব্যক্তি রা রাজনীতিক তাদের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ডাইনি-বিশ্বাসকে কাজে লাগাচ্ছেন। এই স্বার্থভোগীরা যে ডাইনি প্রথা বিরোধী আন্দোলনকে ব্যর্থ করতে সচেষ্ট হবে এই কথা স্পষ্টভাবে মাথায় রেখেই সরকারকে এগুতে হবে।
ডাইনি হত্যা বন্ধে সব
পরিকল্পনা এখুনি সরকারের গ্রহণ করা উচিত
তথ্যচিত্র ও স্লাইড দেখিয়ে আদিবাসী সমাজের মানুষ ও পশুদের নানা রোগ ও তার প্রতিকারের উপায় বিষয়ে বোঝাতে হবে। বোঝাতে হবে খরা, অজন্মার পিছনে কারণগুলি কোনও সময়েই অতিপ্রাকৃতিক নয়। বোঝাতে হবে অপুষ্টি থেকে হওয়া শিশু রোগ ও বিভিন্ন ‘ভর' বিষয়ে। দেখাতে হবে জানগুরুদের অলৌকিক কার্যকলাপের গোপন রহস্য। এ সবের মধ্য দিয়ে মানুষের বিজ্ঞান চেতনা বাড়াতে হবে।
শিক্ষার, বয়স্ক শিক্ষার, নারী শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের পরিকল্পনা নিতে হবে। এই বিষয়ে সরকারকে যেমন উদ্যোগ নিতে হবে, তেমনই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে।
জানগুরুদের ব্যবসার বিরুদ্ধে জনমত তৈরির চেষ্টার পাশাপাশি প্রয়োজনে পুলিশ ও প্রসাশনকে জানগুরুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। জানগুরু কাউকে ডাইনি বলে ঘোষণা করলে জানগুরুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।