থেকে বাধা বিপত্তি হাজির হচ্ছে। তোর কাজ হতে দিচ্ছে না।”
সুবীর প্রৌঢ়ার নির্দেশমতো প্রতি কথায় সায় দিয়ে ‘হ্যাঁ’ বলে যেতে লাগলেন। ‘বাবা’ সামান্য সময়ের জন্য কথা বলা থামলেন। তারপর বললেন, “তোর সমস্যা মিটিয়ে দেব, খুশি করে দেব। তুইও আমাকে খুশি করবি তো?”
—“নিশ্চয়ই করব বাবা।”
—“তুচ্ছ করবি না তো?”
—“না, না।”
—“আমার আদেশ মানবি?”
—“নিশ্চয়ই মানব।”
—“আগামী সোমবার একটা জবা ফুল আর একটা বোতল নিয়ে আসিস। ফুলটা পড়ে দেব। ওটাকে রোজ সন্ধ্যায় ধূপ আর বাতি দিবি, ভক্তি ভরে পুজো করবি। কাউকে নোংরা কাপড়ে ছুঁতে দিবি না। ঘটে জল পড়ে দেব রোজ সন্ধ্যায় কুল পুজো সেরে একটু করে খাবি। যা এবার।”
—“কিন্তু বাবা, আমার আসল সমস্যার কথাই তো কিছু বললেন না।”
—“সেটা আবার কী?”
—“পেটে প্রায়ই ব্যথা হয়.....”
সুবীরের কথা শেষ হবার আগেই স্বর্গ থেকে গৌরীতে নেমে আসা ভোলাবাবা বলতে শুরু করলেন, “তোর অম্বলের রোগ আছে। গলা বুক জ্বালা করে, প্যাটে ব্যথা হয়, খিঁচ ধরে। যখন ব্যথা ওঠে সহ্য করতে পারিস না।”
সায় দেন সুবীর—“হ্যাঁ। কিন্তু কী করলে সারবে?”
—“আরে জল পড়াটা সে জন্যেই তো দিয়েছি। অসুখ তো তোর আসল সমস্যা নয়, আসল সমস্যা তোর মন নিয়ে, কাজে বাধা নিয়ে। যা, এবার আয়।”
—“আমার দাদার বিষয়ে কিছু বললেন না?”
—“তোর দাদার বুকে যন্ত্রণা হয়, গা-হাত-পায়ে ব্যথা, বুক জ্বালা করে, প্যাটে ব্যথা হয়। তোর দাদাও ফুল পুজো করবে, ধুপ আর বাতি জ্বেলে। পুজো সেরে জল পড়া খাবে।”
—“কিন্তু দাদাকে ফুল-জল দেব কেমন করে?”
—“কেন, বাড়ি এলে দিবি?”
—“ওখানেই তো সমস্যা। দাদা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। কোথায় গেছে,