বছরের সরস্বতী’, সঙ্গে ছিল আধ ডজন ছবি। প্রতিবেদনটির শুরুতেই বড় বড় হরফে লেখা ছিল—
শিরোনামে মৌসুমীকে কেন সরস্বতী বলা হয়েছে, তারই উত্তর মেলে মৌসুমীর মা শিপ্রাদেবীর কথায়। প্রতিবেদকের ভাষায়, ‘শিপ্রাদেবী জানান, মৌসুমীর জন্মের আগে এক আশ্চর্য অনুভূতি মাঝে মধ্যে গ্রাস করে ফেলত শিপ্রাদেবীকে। শিপ্রাদেবী তা স্বামীকেও বলতেন। মাতৃগর্ভে মৌসুমীর আসার আগে শিপ্রাদেবী এক রাত্রে স্বপ্ন দেখেন তাঁর আরাধ্য দেবী লক্ষ্মী শ্বেতবর্ণা রূপ নিয়ে অনেক দূরের থেকে হেঁটে আসছেন তাঁর দিকে। স্বপ্নের মধ্যেই তিনি দেখলেন কোলের কাছে আসামাত্রই অদৃশ্য হয়ে গেলেন।’
“আদ্রা রেলশহরের ৭ বছরের
মৌসুমী চক্রবর্তী বাংলা, হিন্দী,
ইংরাজি ভাষায় সারা বিশ্বের রাজনীতি,
সমাজনীতি, অর্থনীতি, অধ্যাত্মবাদ এবং বিজ্ঞান
বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে এবং পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা
পর্ষদ থেকে ৯ বছর বয়সে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসবার
অনুমতি পেয়ে ‘বিস্ময় বালিকা’ হিসেবে নিজেকে
প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিস্ময়বালা মৌসুমীর
এই জীবন কাহিনী পেশ করা হল তার সঙ্গে
দুদিনব্যাপী দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা ধরে নেওয়া
ইণ্টারভিউ-এর প্রেক্ষাপটে।”
শিপ্রাদেবীর এই স্বপ্নের কথা পাঠকরা ‘খেয়েছিলেন’ ভালো, যুক্তিটা তাঁদের অনেকেরই মনে ধরেছিল—স্বয়ং সরস্বতী ভর না করলে এমন বিদ্যে বুদ্ধি কি এই বয়সে হওয়া সম্ভব?
প্রতিবেদক আরও জানিয়েছেন, ‘মৌসুমীর সঙ্গে বর্তমান প্রতিবেদক দু-দফায় প্রায় ১৮ ঘণ্টা সাক্ষাৎকার করেন। সেই সাক্ষাৎকারে সাহিত্য, সংস্কৃতি, সিনেমা, রাজনীতি, সমাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি, দর্শন, বিজ্ঞান, চিত্রকলা,