অনায়াসে টাইপ করতে পারে নির্ভুল ফিংগারিং-এ প্রায় চল্লিশ স্পিড-এ।’ ...‘এই শেষ নয়। মৌসুমী জানে বাংলা ব্যাকরণ, ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞানের নানা কথা। অঙ্কের অনেক ফরমুলাই ওর ঠোটের ডগায়। অনুবাদ করতে পারে বাংলা, ইংরাজি বা হিন্দিতে। সম্প্রতি ও জার্মান ভাষা শিখছে।’...‘মৌসুমীর মাও খুব ভালো ছাত্রী ছিলেন।’ আর মৌসুমীর বাবা? প্রচার মাধ্যমগুলোর কল্যাণে তাও কারোই অজানা ছিল না। তিনি ছিলেন জুনিয়র সায়েনটিস্ট।
মৌসুমীকে নিয়ে গণ-উন্মাদনার মতোই এক ধরনের প্রচার-উন্মাদনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। এবং তা প্রভাবিত করেছিল বিভিন্ন পেশার মানুষকে! ফলশ্রুতিতে আমি এবং আমাদের সমিতি প্রচুর চিঠি পেয়েছি। চিঠিগুলো এসেছিল মৌসুমীর বিষয়ে বিভিন্ন রকমের কৌতূহল নিয়ে, দ্বন্দ্ব নিয়ে, বিভ্রান্তি নিয়ে, জিজ্ঞাসা নিয়ে। তখন থেকে আজ পর্যন্ত অগুনতি সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মৌসুমীকে নিয়ে হাজারো প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েই চলেছি। প্রশ্নগুলো মোটামুটি এই জাতীয়—মৌসুমীর এই পরম বিস্ময়কর প্রতিভার ব্যাখ্যা কী? বাস্তবিকই কি মৌসুমী পরম বিস্ময়কর প্রতিভা? মৌসুমী কি তবে জাতিস্মর? অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারিণী? ও কি মানুষের ভূত-ভবিষ্যৎ বলতে সক্ষম? এর মধ্যে বাস্তবিকই কি ঈশ্বরের প্রকাশ ঘটেছে? মা লক্ষ্মী ও সরস্বতীকে ঘিরে মৌসুমীর মা যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, মৌসুমীর প্রতিভা