হাজার পর্যন্ত সংখ্যা। রাজনও ছাড়ার পাত্র নয়। প্রস্তুত হচ্ছে ১ লক্ষ সংখ্যা পর্যন্ত বলে রেকর্ডকে নিরাপদে রাখতে।
পানিহাটির এক পণ্ডিতের অসাধারণ স্মৃতির কথা আজও কিংবদন্তি হয়ে রয়েছে। পণ্ডিতের নাম জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন। তখন ইংরেজ আমল। জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন একদিন নিত্যকার মতো গেছেন গঙ্গাস্নানে। ঘাটে তখন দুই সাহেবের মধ্যে তুমুল ঝগড়া আর হাতাহাতি চলছে। কয়েক দিনের মধ্যে দুই সাহেবের লড়াই গড়াল আদালতের কাঠগড়ায়। সাক্ষ্য দিত পণ্ডিতের ডাক পড়ে। পণ্ডিত সাক্ষ্য দিতে গিয়ে দু'জনের হুবহু ইংরেজি কথোপকথন তুলে ধরেন বিচারকের সামনে। বাদী-বিবাদী দু-জনেই পণ্ডিতের বক্তব্যের সত্যতা মেনে নিলেন। বিচারক পণ্ডিতের স্মৃতিশক্তির পরিচয় পেয়ে অবাক। বললেন, “আপনি এতদিন আগের দুজনের প্রতিটি কথা কী করে মনে রাখলেন? সত্যিই আপনার অসাধারণ স্মৃতি।”
পণ্ডিত তো সাহেবের ইংরেজি বুঝতে না পেরে এদিক-ওদিক মাথা নেড়ে পেশকারকে জিজ্ঞেস করলেন, “সাহেব কী বলছেন?”
পণ্ডিতকে পেশকার বললেন, “সে কী, আপনি ইংরেজি জানেন না?”
পণ্ডিত জানালেন, “না।”
“তাহলে দু-সাহেবের এত ঝগড়ার কথা মনে রাখলেন কী করে?”
পণ্ডিতের সরল জবাব, “সে তো শুনেছিলাম, তাই মনে ছিল।”
পেশকারের কাছে পণ্ডিতের কথা শুনে বিচারক তো আরো অবাক। এমন আশ্চর্য স্মৃতিও মানুষের হয়!
‘দুর্বল স্মৃতি’ বলে কিছু নেই, ঘাটতি শুধু স্মরণে
একটা কথা বলি। অনেকের কাছেই হয়তো অদ্ভুত শোনাবে। স্বাভাবিক মস্তিষ্ককোষের অধিকারী মানুষদের ক্ষেত্রে ‘দুর্বল স্মৃতি' বলে কিছু নেই। আমাদের স্মৃতি-শক্তির একটা পর্যায় সংরক্ষণ (Retention)। শেষ পর্যায়ে আছে স্মরণ {Recall)। যা দেখি, যা শুনি, যেসব সংরক্ষণের বিষয়ে আমাদের কারুরই কোনও ঘাটতি নেই। স্মরণের ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের নানা ধরনের ত্রুটি।
আমার কর্মক্ষেত্রে একটি ছেলে ঘুরে ঘুরে আমাদের চা দিত। প্রতিদিন দেড়শো মানুষকে চা খাওয়াতো। কেউ নিতেন এক কাপ, কেউ দু’কাপ, কেউ অভ্যাগতকে অভ্যর্থনা জানাতে নিতেন পাঁচ কাপ। প্রতিদিনই প্রায় সকলের ক্ষেত্রেই হিসেবেরও তারতম্য হতো। কাল যিনি এক কাপ নিয়েছিলেন, আজ