আমরা সমাজবদ্ধ জীব। সমাজের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিফলন
তাই আমাদের জীবনে দেখতে পাই। আমরা
কীভাবে বিকশিত হব, তার অনেকটাই
তাই আমাদের সমাজ-সাংস্কৃতিক
পরিবেশের ওপরও
নির্ভর করে।
অবাক মেয়ে মৌসুমী ও বিস্ময়কর প্রতিভা বা Prodgy নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এতক্ষণ খুবই সংক্ষেপে যেটুকু আলোচনা করলাম তাতে অনেকে হয়তো ‘ধান ভানতে শিবের গান’-এর উদাহরণ খুঁজে পেয়েছেন। কিন্তু আমার কাছে এ সবই অতি প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। কারণ আমি চাই, ভবিষ্যতে আবার কোনও বিস্ময়কর প্রতিভার খবর প্রচারিত হলে পাঠক-পাঠিকারা বিভ্রান্ত বোধ না করেন, নিজেরাই সঠিক অনুসন্ধানে নামতে পারেন, অথবা এমন বিস্ময়কর প্রতিভার পিছনে জাগতিক কারণগুলোর হদিশ অপরকেও দিতে পারেন।
অবাক মেয়ে মৌসুমীর রহস্য সন্ধানে
মৌসুমীকে জানতে, মৌসুমীর ওপর প্রাথমিক পরীক্ষা চালাতে আদ্রায় যাব ঠিক করে ফেললাম। ২৯ আগস্ট ৮৯ সন্ধ্যায় পাভলভ ইনস্টিটিউটে ডা. বাসুদেব মুখোপাধ্যায়কে পেয়ে গেলাম। ডা. মুখোপাধ্যায় আলিপুর সেণ্ট্রাল জেলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি মৌসুমীর কাছে গিয়েছিলেন। ১৩ আগস্ট ’৮৯-র আনন্দবাজারে এঁকেই পাভলভ ইনস্টিটিউটের অধিকর্তা ডা. ডি এন গাঙ্গুলির ছাত্র বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল। ডা. মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, “মৌসুমীকে পরীক্ষা করে কী মনে হলো আপনার?”
—"অসাধারণ। কথা বললে অবাক হয়ে যাবেন। যে কোনও প্রশ্ন করুন, কম্পিউটারের মতো উত্তর দিয়ে যাবে। আপনিও কি যাবেন নাকি?”
বললাম, “যাওয়ার ইচ্ছে আছে। আপনি কী ধরনের প্রশ্ন করেছিলেন?”
—“ও অনেক কিছু। যেমন অসাধারণ স্মৃতি, তেমনই মেধা। এইটুকুন তো বয়েস, এর মধ্যেই ডাচ্, জার্মান ও দস্তুরমতো শিখে ফেলেছে। স্মার্টলি ডাচ্, জার্মান বলে।”
এই পর্যন্ত বলেই সুর পাল্টালেন বাসুদেববাবু, “আমি মশাই শুধুই