তীব্র যৌন-আকাঙ্ক্ষা থেকে ভূত আসে
ব্যারাকপুরের হিন্দিভাষী নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মধ্যে এক সদ্য বিবাহিত কিশোরীর হঠাৎ ভূতে ভর হল। আমাদের ব্যারাকপুরের যুক্তিবাদী সমিতির নেতা পেশেণ্টটিকে একা ঘরে হিপনোটিক সাজেশন দিয়ে ভূত ছাড়াল। হিপনোটিক সাজেশন দিতে গিয়ে ঘুম আসছে, ঘুম আসছে বলে সাজেশন দেওয়া শুরু করল। পেশীগুলো শিথিল হয়ে যাচ্ছে বলে কপালের পেশীগুলো শিথিল হয়ে যাচ্ছে বলে শুরু করল কপালে হাত বুলিয়ে সাজেশন দেওয়া। এভাবেই চোখের পাতা ভারী হয়ে যাচ্ছে বলে চোখে হালকা করে হাত বোলাল। তারপর গালের পেশী থেকে শুরু করে ঠোঁটের পেশী এবং কাঁধের পেশীতে এলো। সমস্যাটা হল বুকের পেশীতে এসে। বুকের পেশীতে হাত বোলাতেই মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েরা কাঙ্ক্ষিত স্পর্শ পেয়ে উত্তেজিত হল। স্তনবৃত্তদুটি শক্ত হয়ে গেল। তখন নেতা হাত বোলালে তাদের উত্তেজনা ও খুব ভালো লাগার ব্যাপারটা আসবে, এটা স্বাভাবিক। আর তেমনটাই ঘটেছিল। কারণ ওই ধরনের পরিবারগুলোতে ছেলে-মেয়েদের স্বাভাবিক বন্ধুত্বের সুযোগ নেই। এতে মেয়েটির ভূত বিদায় নিল। কিন্তু মেয়েটির ঝাঁকে ঝাঁকে বান্ধবীদের মধ্যে ভূতে ভর হওয়ার প্রকোপ প্রচণ্ড বেড়ে গেল। সবারই ভূতে ভর হচ্ছে আর ও গিয়ে ওরকম হাত বোলাচ্ছে শুনে নেতাটিকে ডেকে বললাম, ‘কোনও বন্ধ ঘরে মেয়েদের কোনও আত্মীয় বা আত্মীয়ার অনুপস্থিতিতে কখনও সাজেশন দেবে না। আর এই মেয়েগুলো তো তোমার হাতের স্পর্শ পাওয়ার জন্যেই ভূতে ভরের অভিনয় করছে। খবরদার যাবে না।’ নেতাটি আমার কথামতো যাওয়া বন্ধ করে দিল। আর ভূতে ভরের প্রকোপও শূন্য হয়ে গেল।
এ হল অবদমিত যৌন আবেগ থেকে স্রেফ দুষ্টুমি।