আমি—তুমি চিত্তদার পাজামাটার ওইরকম জায়গাটা কাটলে কেন?
রেণু—বেশ করেছি।
আমি—বেশ মজাই হয়েছে। চিত্তদার উপর একচোট শোধ তুলে নিয়েছ। তুমি কি দিয়ে ওদের সব জামা-কাপড়গুলো কেটেছ? ব্লেড দিয়ে?
রেণু—না, কাঁচি দিয়ে।
আমি—ওরা কেউ তোমাকে সন্দেহ করেনি?
রেণু—না।
আমি—তুমি আজ সন্ধ্যায় লোডশেডিং-এর সময় ছন্দাকে চড় মেরেছিল?
রেণু—হ্যাঁ।
আমি—তুমিই মোয়া সরিয়ে পরে খাওয়া মোয়াটা ফেলেছিলে?
রেণু—হ্যাঁ।
আমি—মাখা আটা রান্নাঘরের দেওয়ালে কে ছুঁড়েছিল?
রেণু—আমি।
আমি—বাথরুমে বউদির মাথায় চায়ের পাতা ছুঁড়ে মেরেছিলে?
রেণু—না।
আমি—তবে, কী করে বন্ধ বাথরুমে বউদির মাথায় চায়ের পাতা পড়ল?
রেণু—আমার মনে হয় বউদি নিজেই করেছে। ও খুব মিথ্যেবাদী।
আমি—আর বউদিকে শ্যাম্পুর কৌটো ছুঁড়ে মারা?
রেণু—ওটা আমিই করেছিলাম।
আমি—বউদি বলছিলেন ঘর বন্ধ ছিল।
রেণু—মিথ্যে কথা।
আমি – তোমার হাত থেকে লোহার চুড়ি একটু একটু করে নিজে থেকেই বেরিয়ে আসছিল, অনেকে নাকি দেখেছেন? ব্যাপারটা কী বলো তো।
রেণু—আমিই চুড়িটা খুলে মেঝেতে ফেলে দিয়ে বলেছিলাম—আরে আরে চুড়িটা নিজে থেকেই হাত থেকে খুলে বেরিয়ে এল। ওরা সকলেই টিভি দেখছিল। আমার কথায় মেঝের দিকে তাকায়। চুড়ি পড়ে থাকতে সক্কলেই খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল।
আমি—ওদের ভয় দেখাতে তোমার ভালো লাগছে?
রেণু—মজা লাগছে।
রেণুর সঙ্গে অনেক কথাই হয়েছিল। বুঝতে অসুবিধে হয়নি চিত্তকে ওর ভালো লাগে। চিত্রকে ঘিরে ও অনেক কথাই বলেছিল, যার কতটা সত্যি