৯.
কোন কোন অধ্যায়ে শান্তি সংরক্ষণ ও
পুনঃপ্রতিষ্ঠার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
ষষ্ঠ অধ্যায়ে বিরোধাদির শান্তিপূর্ণ মীমাংসার পদ্ধতিগুলোর কথা বলা হয়েছে। মধ্যস্থতা, সালিশি, আপস বা বিচার বিভাগীয় নিষ্পত্তি এসব পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত। নিরাপত্তা পরিষদ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে তাদের নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে নিতে আহ্বান জানাতে পারে অথবা তাদের কাছে নিষ্পত্তির শর্তগুলোও সুপারিশ করতে পারে। পরিষদ অন্য যেসব পদ্ধতির আশ্রয় নিয়ে থাকে সেগুলো হলো, তদন্ত দল বা অনুসন্ধান কমিশন গঠন অথবা মহাসচিবকে তার শুভ সংযোগ প্রসারিত করার জন্য অনুরোধ জ্ঞাপন।
সপ্তম অধ্যায়ে বল প্রয়োগ ও অন্যান্য ব্যবস্থার উল্লেখ রয়েছে। যদি আগ্রাসন অব্যাহত থাকে অথবা শান্তির প্রতি হুমকি থাকে অথবা শান্তি ভঙ্গ হয় অথবা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে না নেয়, তবে এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। পরিষদ আরো বলিষ্ঠ পদক্ষেপও নিতে পারে। অস্ত্র নিষেধ জারি অথবা ব্যাপক অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপ, কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য রাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান অথবা সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি দানও পরিষদের এখতিয়ারভুক্ত। ১৯৯৫ সালের আগস্ট মাসে এঙ্গোলা, ইরাক, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া ও সাবেক যুগোস্লাভিয়াসহ সাতটি সদস্যরাষ্ট্র বা পক্ষের বিরুদ্ধে অস্ত্র