নিষেধাজ্ঞা, সার্বিক অথবা আংশিক অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ কার্যকর ছিল। ঐ সময় নিরাপত্তা পরিষদ রুয়াণ্ডা সরকারকে ১৯৯৪ সালের আগস্ট মাসে আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দেয়। কিন্তু রুয়াণ্ডায় ব্যবহারের জন্য বেসরকারি অস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রাখে।
সম্প্রতি নিরাপত্তা পরিষদ শক্তি প্রয়োগের সংজ্ঞায় আসে এমন পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৯১ সালের এপ্রিল মাসে ইরাক-কুয়েত সীমান্তে বাহিনীমুক্ত এলাকা পরিধারণের জন্য নিরাপত্তা পরিষদ একটি জাতিসংঘ ইরাক-কুয়েত পর্যবেক্ষণ মিশন গঠন করে। ১৯৯৩ সালের মে মাসে পরিষদ ইরাক-কুয়েত সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত কমিশনের সিদ্ধান্তগুলো যে চূড়ান্ত তা পুনর্ব্যক্ত করে এবং ঐ সীমারেখার অলঙ্ঘনীয়তা নিশ্চিতকরণে সংকল্পবদ্ধ হয়। এছাড়া পরিষদ ১৯৯৩ সালের মে মাসে সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় মানবিক আইন ভঙ্গকারীদের অভিযুক্ত করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯৪ সালের নভেম্বরে রুয়াণ্ডার জন্যও একটি অনুরূপ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। ঐসব সিদ্ধান্তই সনদের সপ্তম অধ্যায়ের অধীনে গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য, সনদের ৫১ ধারা মোতাবেক যদি কোনো সদস্যরাষ্ট্র আক্রান্ত হয়, তবে নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক শান্তি বজায় রাখা বা পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের আগে ঐ রাষ্ট্র আত্মরক্ষার জন্য একক বা যৌথভাবে সংগঠিত হওয়ার পদক্ষেপ নিতে পারে।