পাতা:অসমীয়া সাহিত্য.pdf/১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অসমীয়া সাহিত্যের শৈশব ও কৈশোর సిరి পিয়াই অধরমধর মনক হরিয়া মোর নজানো লুকাই কোথা যাই । তাকে মই স্বামী বুলি বিচাবহোঁ বিয়াকুলি সখি মোক দিয়োক দেখাই ॥ পেলাই কামসমুদ্রত কিবা দোষ দেখি মোত ত্যজি গৈলা সিটো প্রাণনাথ । না পাও যেবে তাওক স্বামী নিশ্চয় মরিবো আমি সখি সত্য কহিলা তোমাত ॥ যখন চিত্ৰলেখা সরে গন্ধব বিদ্যাধর সকলের পট অকিয়া ব্যষ্ণিবংশের অনিরন্ধের পট আঁকিতে লাগিল তখন লাজে মুখ বসে ঢাকি উষা বলিল— মোর প্রাণনাথ এহি জন দেখা কেনে মতিমন্ত ভুবনমোহন কান্ত কোন নারী ধরিবেক মন । তারপর উষা-অনিরুদ্ধের মিলন, তাহাদের নিত্য বিহার, গোপন আলাপ আপ্যায়ন প্রভৃতি কবি জয়দেবের শঙ্গার বণনাকেই সমরণ করাইয়া দেয়। পীতাম্ববরের উষা পরিণয়ও এই শ্রেণীর একটি কাব্য। কিন্তু পথানে পথানে উৎকট মাত্রায় লৌকিক হইয়া পড়িয়াছে— দেখিয়া কুমারী উষা গণে মনে মনে ধন্য নারী পরিষে বিলাস করে বনে। অকারণে প্রাণ ধরে সেহি সে যুবতি ॥ বসন্ত সময়ে যার কোলে নাহি পতি কলসি বান্ধিয়া জলে মরোক যুবতি । কন্দলীর রামায়ণও বহনস্থানে কামায়নপ্রচুর— সবভাবে বরিষা কাল কাম অতিরেক একগোটা দিন যাই এক বরিষেক বাখেরে বোলন্ত লখাই নমহে পরাণ শরীরক দহে মদনের পঞ্চবাণ । চিত্রকট-বর্ণনার সময় মদনের পঞ্চবাণ সত্ৰীপরাষকে কিরাপে ব্যাকুল করিয়াছে তাহার চিত্র আছে। সমসাময়িক মহাভারতের অসমীয়া কবিও তার বণনাকে কামায়নপ্রচুর করিয়াছেন। ইহা ছিল সহজ জীবনের সরল অভিব্যক্তি—দোষের কিছর ছিল না। সবভাবে শোভন অপেস্বরাগণ মদনচকিত ভার উন্নত কঠিন ঘনপীনসতন তার অবনত গাব