পাতা:অসমীয়া সাহিত্য.pdf/৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বরঞ্জী সাহিত্য 6:S তাঁহার কবিতাপসতক নিমালি (নিমাল্য) স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ-বারা ‘অসমীয়া ভাষার মধ্যে আধুনিক কালের বাধামন্ত গীতোচ্ছনাসের প্রবাহ বলিয়া অভিহিত হইয়াছিল। মোটামুটি অসমীয়া বরঞ্জীদের পরিচয় এইরপ— ১. আসাম বরঞ্জী—কাশীনাথ তামুলী ফকেন ও রাধানাথ বরবরয়া ও হরকান্ত বরয়ো কতৃক ১৮৪৪ খীস্টাব্দে প্রকাশিত। ইহাতে ১২২৮ খ্রীস্টাব্দে হইতে ১৮২৬ খন্টাদ পর্যন্ত স্বগদেব অহমরাজদের কাহিনী লিপিবদ্ধ আছে। কামরুপ বরঞ্জণী—অসম মুঘল যুদ্ধের এক প্রাচীন কাহিনী। তুঙ্গখঙ্গিয়া বরঞ্জণী—১৬৮১ খ্রীস্টাব্দ হইতে ১৮২৬ সাল পর্যন্ত তুঙ্গখুলিয়া অহম রাজাদের কাহিনী । ৪. দেওধাই অসম বরঞ্জণী—প্রাচীনকাল হইতে ১৬৪৮ খ্রীস্টাব্দ অথাৎ রাজা জয়ধ্বজ সিংহের রাজত্বকাল পর্যন্ত বিবরণী। ইহাতে রাজাদের বিবাহ, জ্যোতিষতত্ত্ব, দৈবজ্ঞদেব ক্লিয়াকলাপ, অন্য রাজনাবগের সহিত সম্পক আতা বঢ়াগোঁহাইয়ের ইতিহাস লিপিবদ্ধ আছে। ৫. আসামের পদাবরেঞ্জণী—দাতিরাম হাজারিকা ও বিশেবশ্ববর বিদ্যাধিপ কর্তৃক ১৬৭৯ খ্রীস্টাব্দ হইতে ১৮৫৯ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত পদো ইতিহাস । ৬. কাচারী বরঞ্জণী—প্রাচীন কাচারের ইতিহাস অবলম্ববনে প্রাচীনকাল হইতে কাচারী রাজা তামধনজনারায়ণ ও অসমীয়া নপতি স্বগদেব রদ্র সিংহের রাজত্বকাল পর্যন্ত একটি প্রাচীন কাহিনী । ৭. জয়তিয়া বরঞ্জী—প্রাচীন জয়ন্তিয়ার ইতিহাস অবলম্বনে প্রাচীনকাল হইতে জয়ন্তিয়ারাজ রাজা লক্ষীসিংহ ও অসমীয়া নপতি স্বগদেব শিবসিংহের রাজত্বকাল পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক কাহিনী । ৮. ত্রিপরা বরঞ্জণী—রত্নকন্দলী ও অজনে বৈরাগী নামক ত্রিপুরা রাজসভায় রাজা রদ্রসিংহের দুই দতের দ্বারা লিখিত ত্রিপরোরাজ্যের সমসাময়িক ঘটনার কাহিনী । অসম বরঞ্জণী—গৌহাটির স্কুমার মহাতির নিকটে প্রাপ্ত ‘অসম বরঞ্জী অহমরাজ্যের একটি সম্পণে ধারাবাহিক ইতিহাস । ডাঃ ভূঞার মতে লাচিত বড়ফুকনের দৈবজ্ঞপ্রধান সমুদ্রচড়ামণিই ইহার রচয়িতা । USI: East on “The book is a historical classic and a literary masterpiece of the first order, parallel to which very few vernacular literatures of India possess”. ১০. পাদশাহ বরঞ্জণী—সপ্তদশ শতাব্দীর একটি অসমীয়া বরঞ্জী। ইহাতে প্রথম মসলমান আক্রমণ ও পিথোর রাজা হইতে মাঘলবংশের সুলতান আজম তারা পয়ালত বণিত হইয়াছে। প্রসঙ্গক্ৰমে বলা যায় যে, বহরীস্তানই ঘয়বী’ বা গৌহাটির মঘেল ফৌজদার মীজানথান, মাঘলদের বঙ্গ, বিহার, আসাম, উড়িষ্যা বিজয়ের পারসিক ভাষায় লিখিত পসেতকে এই সময়ের বঙ্গ ও আসামের অনেক তথ্য পাওয়া যায়। ডাঃ ভূঞার মতে এইসব গ্রন্থ ছাড়াও ঐতিহাসিক ঘটনা সম্বলিত বহন বরঞ্জী পাওয়া যায়—যাহার সাহিত্যিক মল্য ও ঐতিহাসিক তথ্য দুইই আছে। যেমন 3. ৯