(হিন্দুস্থানী স্ত্রীলোকের ঘাগ্রা বিশেষ)—প্রাণ অস্থির হইয়া উঠিয়াছে! আর একটি বাঙালী আছেন বটে, কিন্তু তাঁর দেখা পাওয়া দুস্কর—ঘরে দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী! বলিতে কি, আমিও বন্ধু ছাড়া হইয়া দিন দিন ন্ত্রৈণ হইয়া পড়িতেছি। এ সময় তুমি আসিলে শুধরাইয়া যাইতে পারি—এখনো রোগ ‘ক্রনিক’ হইয়া দাঁড়ায় নাই।
“আমার ছোট বোন্ প্রিয়বালাটি বড় হইয়া উঠিতেছে। তার জন্য একটি সম্বন্ধ দেখিতে পার? —তোমার বন্ধু-বান্ধবের মধ্যে কাহারও যদি চিরকুমারব্রত ভঙ্গ হইবার সময় উপস্থিত হইয়া থাকে বোধ কর, তাহা হইলে তাঁহার ব্রতটি যাহাতে এই এটোয়াতে ভঙ্গ করাইতে পার, তার চেষ্টা দেখিয়ো! কবে আসিতেছ? দেরী করিয়ো না।”
এটোয়া যাওয়াই স্থির করিলাম। ডেপুটি হইলেও আমি থার্ড ক্লাশে ‘ট্র্যাভল্’ করিয়া থাকি। এ বিষয়ে গ্ল্যাডস্টোন্ আমার আদর্শ, কিন্তু সত্য কহিতে হইলে, উদ্দেশ্যটা অবশ্যই ব্যয়-সংক্ষেপ। কথাটা আজ এই নূতন প্রকাশ করিলাম!
এই আমার প্রথম পশ্চিম-যাত্রা। যথারীতি সাহেব সাজিয়া ‘ষ্টার্ট’ করিলাম। শুনা ছিল, হ্যাট-