এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৯২
আঙুব
কর্ম্মস্থল—হাজারিবাগে গেল। বড় বোন প্রভাতকুমারীও স্বামীর সহিত তখন পিত্রালয়ে আসিয়াছিল। অরুণ বাবুর শরীর খারাপ, ছুটি লইয়াছেন—এখন হাজারিবাগেই থাকিবেন। লোকনাথবাবু, জামাতাকে পৃথক বাটী ভাড়া করিতে দেন নাই।
২
এপ্রিল মাসের আর বেশী দেরী নাই। প্রভাত বলিল, “নীহার, আয়, সুকুমারবাবুকে ‘এপ্রিল ফুল্’ করি।”
নীহারিকা সাহ্লাদে বলিয়া উঠিল, “বেশ ত! আমার একটা প্ল্যানও তৈরি আছে।”
“সত্যি নাকি? কি, বল্ দেখি! যাতে ঠকে, এমন করতে হবে!”
“নিশ্চয়ই ঠক্বেন, তা ছাড়া সেই সঙ্গে বেশ একটা রীতিমত একজামিনও করা হবে!”
“তা হলেত খুব মজা!—কি প্ল্যান করেচিস্?”
নীহারিকা বলিল, “একদিন তাঁকে জিজ্ঞেস্ কল্লুম— ‘আমি যদি মরে যাই, তুমি কি কর’—”
প্রভাত খুব হাসিয়া উঠিয়া বলিল, “ও হরি! সকলেরই দেখচি এক রোগ!”