বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/১০১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৯৩
এপ্রিল্‌-ফুল্‌

 নীহারিকা বলিল, “ওমা! তুমিও বুঝি ঐ কথা জিজ্ঞেস্ কর?—তা, কি উত্তর পাও?”

 “তিনি অম্‌নি চোখদুটো কপালে তুলে বলেন, ‘তা হলে ঘন ঘন মূর্চ্ছা যাব, আর কবিতা লিখব’!”

 নীহারিকা গালে হাত দিয়া বলিল— “সকলের দেখ্‌চি এক প্রেস্কৃপশান!”

 “তা যাক্, এখন তোর প্ল্যানটা কি শুনি।”

 “অরুণবাবুকে দিয়ে একখানা চিঠি তাঁকে লেখান যাক যে, হঠাৎ হার্টফেল হয়ে মরে গেছি! দেখি, কি করেন।”

 প্ল্যানটা প্রভাতের মনে তত সুবিধার বলিয়া বোধ হইল না। নীহারিকার দিকে চাহিয়া সে বলিল, “দূর! সেকি ভাল? —”

 নীহার বলিল, “তোমার ভয় নেই, দিদি, আমি মরবো না!”

 “দূর, তা কেন?”

 “তবে কি?”

 “যদি আবার বে করে বসে!”

 নীহারিকার মুখ একটু লাল হইয়া উঠিল, সে বলিল, “সেটুকু বিশ্বাস আছে।”