বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/১০২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৯৪
আঙুর

 প্রভাত কহিল, “তবে আবার একজামিন, কেন?”

 “ভাল ছেলেকেও ত একজামিন দিতে হয়!”

 প্রভাত কৃত্রিম দুঃখে বলিল, “আহা, বেচারা সেই ছেলে বেলা থেকে একজামিন দিতে দিতে জ্বালাতন হয়ে গেচে—আবার তোর কাছে একজামিন!”

 নীহারিকা হাসিয়া বলিল, “পুরুষের সারাজীবনই ত একজামিন।”

 এমন সময়ে অরুণচন্দ্র সেখানে আসিয়া বলিলেন, “আর মশায়রা বুঝি বসে বসে প্রাইজ দেবেন!”

 অরুণবাবুর দিকে না চাহিয়াই নীহার হাসিয়া বলিল, “সেই রকম ত মনে হয়!”

 ‘এপ্রিল-ফুলের' প্ল্যান শুনিয়া অরুণচন্দ্র প্রথমটা রাজি হইলেন না, কিন্তু হঠাৎ আর একটা মতলব তাঁহার মাথার আসিল। তিনি বলিলেন, “বেশ, আমি রাজী!”

 নীহারিকা ও প্রভাত সকৌতুক ব্যগ্রতার সহিত সুকুমারের পত্রের প্রতীক্ষা করিতে লাগিল।