পাঁচ দিনের দিন সুকুমারের নিকট হইতে পত্র আসিল। অরুণ বলিলেন, “নীহার, দেখ, সুকুমার ‘মাই ডিয়ার অরুণবাবু’—লিখেই তোমার শোকে চোখের জলে ভেসে গেছে—এই দেখ, কাগজ চুপ্সে গেছে!”
স্বামীর সুগভীর স্নেহ স্মরণ করিয়া নীহারিকার ডাগর চক্ষু দুইটী অশ্রুসজল হইয়া উঠিল!
কিছু দিন পরে প্রভাতের নিকট সুকুমারের সম্পাদিত ‘মলয়া’র চৈত্র সংখ্যা আসিল। নীহারিকা দেখিল, কাগজের প্রথমেই আর একখানি ‘উদ্ভ্রান্ত প্রেমে’র সৃষ্টি হইয়াছে! প্রবন্ধের নীচে লেখা, “অভাগা”।
দুই ভগিনীতে খুব খানিকটা হাসিলেও প্রিয়জনকে কৌতুকের খাতিরে বেদনা দেওয়ায় নীহারিকা অন্তরে অন্তরে ব্যথা অনুভব করিল। নীহারিকা বলিল, না, “ভাই, আর বেচারাকে কষ্ট দিয়ে কাজ নেই, এবার বহরমপুর যাওয়া যাক্!”
প্রভাত রাজী হইল না, বলিল, “আচ্ছা, আর একটু দেরী করনা, বেদনা ও বিরহ আর একটু পেকে আসুক।”
বৈশাখের “মলয়ায়” নীহারিকা দেখিল, তাহার