বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/১১৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১০৬
আঙুর

ঢুকে তোমাদের অকল্যাণ করছে! এখনি বিদায় করে দাও—এখনি বিদায় করে দাও!”

 আমার কনিষ্ঠ ভাই জিতেন এই কথা শুনিয়া বিশেষ ক্ষুণ্ণ হইল এবং ‘ভটচার্জ্জির’ কথা অবিশ্বাস করিয়া বলিল ও ভটচার্জ্জির সব বুজরুকী—বোধ হয় চাকরটীর ওপর নিজের লোভ পড়েছে!”

 আমি জিহ্বা দংশন করিয়া বলিলাম— “রাধেকৃষ্ণ!”

 জিতেন তখন সেই অনিষ্টের মূলাধার শৃগালটিকে বধ করিয়া ভটচার্জ্জির গণনা মিথ্যা প্রতিপন্ন করিতে কৃতসঙ্কল্প হইল!

 ‘জবাব’ হইল শুনিয়া কেনারাম কাঁদিয়া ফেলিল—বলিল “কি দোষে আমায় ছাড়িয়ে দিচ্চেন?”

 যথার্থ কারণ বলিতে ভট্টাচার্য্যের নিষেধ ছিল সুতরাং বলিলাম “না আমি তোমায় রাখব না”— মনে মনে বলিলাম—“কি আপদ!—ঐ জন্যে সংসারের ‘শ্রী’ আর কিছুতেই হয় না!”

 কেনারামের চাকরী গেল! রাত্রিটুকু থাকিয়া সকালেই সে অন্যত্র চলিয়া যাইবে স্থির হইল! গৃহিণী বলিলেন—“পোড়া ভূতটা আজ রাত্রে গেলেই বাঁচতুম!”