নটুর বুকের রক্ত অর্দ্ধেক শুকাইয়া আসিতে লাগিল! সে ভাবিত এই রকম যদি কিছুদিন চলিতে থাকে তা’হলেই—!
এক বৎসর শিশুর মড়ক হইল—কত সোণার পুতুল মায়ের কোল আঁধার করিয়া শ্মশানে ছাই হইয়া গেল! দেখিয়া শুনিয়া নটুর একটু ভরসা হইয়াছিল, কিন্তু ভগবান নটুর পত্নীর বুক ঠাণ্ডা রাখিলেন। ইহাতে নটু স্ত্রীর নিকট আক্ষেপ করিয়া বলিত—“আমার কি তেমন বরাৎ! যে এক আধটা—!”
নটুর স্ত্রী স্বামীর কথায় শিহরিয়া উঠিয়া বলিত “বালাই—ষাট্—ও কথা বল্তে আছে?—যাও!”
নটু বড় জ্বালাতনে পড়িল!—একে একে তাহার পাঁচ পুত্র তিন কন্যা জন্মগ্রহণ করিল! খরচ বাড়িয়া গেল—নটু কি করে!—খরচ জোগাইতে হয়, নহিলে গৃহিণীর গঞ্জনায় ঘরে তিষ্ঠানো দায়!
কিন্তু এই অপরিণামদর্শী নবাগতগুলির আহারের ব্যয় না হয় কোন মতে নটু বহন করিল, কিন্তু তাহার উপর যদি আবার তাহাদের ঔষধের খরচ পত্র যোগাইতে হয়, তাহা হইলেই ত সর্ব্বনাশ! গৃহিণী তো স্বামীর মুখের দিকে চাহিবে না—স্বামীর যে