আমাকে স্পর্শ করিল। একটু চম্কাইয়া ফিরিয়া দেখি—এক দীর্ঘাকার যুবা পুরুষ—গালভরা দাড়ি, মাথার আসমানী রঙের এক প্রকাণ্ড পাগড়ী— চুড়িদার পাজামা—পায়ে নাগরা জুতা, গায়ে একখানা লালের উপর কালোচেক্ কাশমিরী র্যাপার, হাতে এক মোটা লাঠি!
আমি স্তম্ভিত হইয়া আগন্তুকের দিকে ক্ষণেকের নিমিত্ত চাহিয়া রহিলাম—আগন্তুক হো হো করিয়া হাসিয়া উঠিল। কণ্ঠস্বরের পরিচয় পাইয়া, বুঝিতে আর বাকী রহিল না। আমি বলিলাম—“বাই জোভ্! তুমি যে একেবারে পূরো হিন্দুস্থানী সেজেছ!”
অনুকুল আমার সাহেবী পোষাকটার প্রতি ইঙ্গিত করিয়া বলিল— “আমার এ পোষাকটাকে ‘বাঙলা’ তবু আপনার বল্তে পারে!”
আমি হাসিয়া বলিলাম—“সাবধান! সিডিশনের গন্ধ বেরুচ্চে!”
অনুকূল শ্মশ্রুরাজির মধ্যে অঙ্গুলি সঞ্চালন করিতে করিতে বলিল—“ওঃ ভুলে গেছি—তুমি ডেপুটি!”
বন্ধুর অজস্র-জাত নিবিড় কৃষ্ণ শ্মশ্রুরাজির উপর হঠাৎ আমার দৃষ্টি পতিত হইল, বলিলাম—“এটোয়ার