বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/২৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হার-জিত।

 নন্দলাল মাতুলের মুখের উপরই বলিয়া বসিল,“সেই বেশ! আমি কালই চলে যাচ্ছি!”

 এ পর্য্যন্ত পরাণবাবুর মুখের উপর এমনভাবে কেহ কখনও জবাব দিতে সাহস করে নাই। রোষে ও বিস্ময়ে তিনি ক্ষণকাল নির্ব্বাক হইয়া রহিলেন। মুহূর্ত্ত পরে গর্জ্জিয়া বলিলেন, “এখনি বেরোও!”

 নন্দলাল স্থির ও পরিষ্কার কণ্ঠে উত্তর দিল, “বেশ! টাকা-কড়িগুলো ফেলে দিন—যাচ্ছি!”

 পরাণবাবু যেন আকাশ হইতে পড়িলেন বলিলেন, “টাকাকড়ি!”

 নন্দলাল কহিল, “আজ্ঞে হাঁ!—মার তিন হাজার টাকার গহনা, আর বাবার বিষয় বিক্রীর টাকা।”

 একটু বিদ্রূপের হাসি হাসিয়া পরাণবাবু বলিলেন, “ওঃ!—তোমার বাবার জমিদারী ছিল!—তাই বুঝি তুমি ছোট বেলা থেকে নামার অন্নে মানুষ হয়ে আসছ?”