এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৩২
আঙুব
তা আমি হারাতে বসেছিলুম!—এই রইলো আপনার গহনা—এর বড় নেশা!—আমি পালালুম। দেখেচি, পাগল হব!
প্রণত নন্দ।”
জীবনে এই প্রথম পরাণবাবুর চোখের পুরু আবরণ সরিয়া গেল! চকিতে তিনি দেখিলেন,—তিনি কত নীচে, আর হৃতসর্ব্বস্ব পলাতক অনাথ নন্দলাল—কত উচ্চে!
কিন্তু এ ভাব মুহূর্ত্তের জন্য মাত্র! ইহার পর পরাণবাবুর সংসার যেমন চলিতেছিল তেমনই চলিতে লাগিল! নন্দলালের কথা কেহই তুলিত না! বরং তুলিলে, পরাণবাবু বিরক্ত হইতেন! কেবল একটী স্নেহকোমল নারীহৃদয় সেই মাতৃহীন অনাথ সন্তানের জন্য মাঝে মাঝে ব্যথিত হইয়া উঠিত!