এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৫০
আঙুর
লাগিল, কিন্তু তাহাদের মধ্যে প্রায় সকলেই পথের কাঙ্গাল! অনেকের পথ্যের খরচই বিহারী যোগাইত, ঔষধের মূল্য দিবে, কে?
এই রূপেই ডিস্পেন্সারি চলিতে লাগিল!
বিহারীর মজ্জাগত দরিদ্র-প্রীতি বিহারীকে ধনীর সহানুভূতি হইতে বঞ্চিত করিতে লাগিল! সে বড় মানুষের 'কল্' ফেলিয়া আগে গরীবের রোগী দেখিতে যাইবেই! ইহার যে কৈফিয়ৎ সে দিত, তাহাতে দরিদ্র-বান্ধবের একখানি কোমল দয়ার্ড হৃদয়ের পরিচয় পাওয়া যাইত বটে, কিন্তু তাহাতে তাহার ব্যবসায়ের কোন উন্নতির সম্ভাবনা থাকিত না!
* * *
ডিস্পেন্সারি আর চলেনা! ঔষধ নাই! ডিস্পেন্সারি খুলিয়া পুত্র যে ঔষধ বিতরণ করিতেছিল, তাহা লালমাধব একদিনও সন্দেহ করেন নাই। ঔষধ ফুরাইয়াছে শুনিয়া তিনি বলিলেন, “বেশ! ফের কিন্তে দাও!”
বিহারী কহিল, “কিছু টাকা চাই—”
“টাকা চাই? কেন, প্রেস্কপ্শান বিক্রীর টাকা কি হল?