আগমন প্রতীক্ষার বসিয়া আছে। সেই সঙ্গে আমার ‘অন্ধকার’ও হয় ত পথ চাহিয়া আছে! আবার মনে হইল, কেন সে থাকিতে যাইবে? আমার দ্বারা সে কতটুকু সুখী হইয়াছে?
ফ্লোরাকে ভালবাসি আর যাই করি ‘অন্ধকারকে’ আর ব্যথা দিব না এইটা একরকম ঠিক করিয়াছিলাম। কিন্তু বাড়ি আসিয়া তাহাকে দেখিতে পাইলাম না। রাত্রি আসিল, কিন্তু আমার অন্ধকার কৈ! আমার নিকট আসিল না ত! ভাবিলাম একবার শ্বশুরবাড়ী যাই! কিন্তু মনে একটু অভিমান হইল! তিন বৎসর পরে বিদেশ হইতে আসিলাম, এখন কি না ‘তিনি’ বাপের বাড়ি বসিয়া রহিলেন! কিন্তু আমি ত, তাহার প্রার্থনা মত তাহাকে জানাই নাই যে আমি বাটি যাইতেছি! ইচ্ছা করিলে সে কি জানিতে পারিত না, আমি কবে আসিব? আমার রাগ-অভিমান হইতে পারে তাহারি কি হইতে পারে না? তবু কেমন রাগ হইল—শ্বশুরবাড়ী যাওয়া স্থগিত রাখিলাম।
তাহার পর এক সপ্তাহ কাটিয়া গেল। বাটীর কাহারও নিকট তাহার সম্বদ্ধে কোন কথা জিজ্ঞাসা