বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:আঙুর - পাঁচুলাল ঘোষ (১৯১১).pdf/৯০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৮২
আঙুর

—সে আজ ছ’ বৎসরের কথা। বড় সাহেব একদিন ডাকিয়া বলিলেন, “বাবু! অস্‌লারে’র ওখানে একখানা ‘ফ্যান্‌’ অর্ডার দিলাম, কিন্তু কৈ পাঠাইল না; তুমি না হয় নগদ দাম দিয়া এক খানা কিনিয়া আনো।” হাতে দেড় শ’ টাকা দিলেন। এই বলিয়া সাহেব আমার

 অস্‌লারের ওখানে গিয়া শুনিলাম, তাহারা ফ্যানের জন্য কোনও চিঠি পায় নাই। তখনই তাহারা একখানা চাররেড ফ্যান্ ‘ক্রেডিট্‌ অ্যাকাউণ্টে’ই পাঠাইয়া দিল, নগদ দাম লইল না - পাছে আমাদের সাহেব ভাবেন, টাকার জন্য ফ্যান্ পাঠান হয় নাই।

 আপিসে ফিরিয়া আসিয়া দেখি, সাহেব হঠাৎ পীড়িত হইয়া চলিয়া গিয়াছেন। আমি টাকা সঙ্গে করিয়াই বাড়ী আসিলান।

 পরদিন মহিম এক শত টাকার জন্য ব্যস্ত হইয়া আমার নিকট উপস্থিত হইল।আমি বলিলাম, “মহিম! আমার টাকা কোথায়!”

 মহিম পাগলের মত একবার চারিধারে চাহিয়া বলিল,—“এ্যাঁ—তা জানি— কিন্তু কি করি! তুমি কোনোখান থেকে যোগাড় করে দিতে