এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৮৬
আঙুর
—বলিলাম “টাকা লছমনের কাছে রাখিয়াছি—আনিয়া দিতেছি!”
সাহেব এবারেও আমার অবিশ্বাস করিলেন,— বলিলেন “তোমায় যাইতে হইবে না—আমি জমাদারকে গেলাম! ডাকাইতেছি।” ভাবিলাম—এবার গেলাম!
জমাদার ঢুকিতেই সাহেব তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “জমাদার! তোমরা পাশ বংকু বাবু যো রূপেয়ী রাখা, ও হাম্কো কাছে নেই দিয়া?”
জমাদার আশ্চর্য্য হইয়া বলিল, “হাম্রা পাশ রূপেরা?”
সাহেব জমাদারকে তৎক্ষণাৎ বিদায় দিলেন। যাইবার সময় আমার বিবর্ণ মুখের উপর লছমনের দৃষ্টি পড়িল।
সাহেব জমাদারকে বিদায় দিয়া আমার দিকে নিতান্ত অবজ্ঞার ভরে চাহিলেন। আমার কপাল দিয়া বিন্ বিন্ করিয়া ঘান বাহির হইতে লাগিল। আমি একটা ঢোক গিলিয়া থর থর করিয়া কাঁপিতে লাগিলাম। সাহেব উত্তেজিত স্বরে ঘৃণার ভরে বলিলেন, “তুমি এত বড় চীট্, লায়ার! আমি এখনি তোমার পুলিসে ‘হ্যাণ্ডওভার’ করিব।”