পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


可计西夺廿可外可°可分动 ‘বিয়ে করা ইস্তিরি। আজ্ঞে । ফেলি কী করে ? এই নিয়ে একটা গোলমালের সৃষ্টি হয় মানসুকিয়ার চাষাভুষোর সমাজে। ঘনশ্যামরাই জোর করে জাগিয়ে রাখে আন্দোলনটাকে । নইলে হয়তো আপনা থেকেই ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে থেমে যেত মুক্তার ঘরে ফেরার চাঞ্চল্য। সামাজিক শাস্তি দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার ক্ষমতা ঘনশ্যামদের নেই, জমিদার দেশে থাকলেও হয়তো তাকে দিয়ে কিছু করানো যেত। তবে সামাজিক শাস্তিই যথেষ্ট। সবাই যদি সব রকমে বর্জন করে রামপদকে, কথা পৰ্য্যন্ত বন্ধ করে, তাতেই পরম শিক্ষা হবে রামপদ’র। সমাজের নির্দেশ অমান্য করলে শুধু এক-ঘরে হয়েই যে সে রেহাই পাবে না, তাও জানা কথা । টিটকারী, গঞ্জনা, মারধোর, ঘরে আগুন লাগা সব কিছুই ঘটবে তখন। সবাই এসব করে না, তার দরকারও হয় না। সবাই যাকে ত্যাগ করেছে, যার পক্ষে কেউ নেই, হয় বিপক্ষে নয়। উদাসীন, যার উপর যা খুলী অত্যাচার করলেও কেউ ফিরে তাকাবে না, মিলেমিশে সেই পরিত্যক্ত অসহায় মানুষটাকে পীড়ন করতে বড় ভালোবাসে এমন যারা আছে ক’জন, তাদের দিয়েই কাজ হয়। তবে সময়টা পড়েছে বড় খারাপ। প্ৰায় সকলেই আহত, উৎপীড়িত, সমাজ-পরিত্যক্ত অসহায়েরই মতো । মনগুলি ভাঙা, দেহগুলিও । আজি কী করে বঁাচা যায়। আর কাল কী হবে এই চেষ্টা আর ভাবনা নিয়ে এমন ব্যস্ত আর বিব্রত সবাই যে জোট বেঁধে ঘোট পাকাবার Y